নিজস্ব প্রতিবেদক
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) প্রায় এক ডজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রয়েছে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ। এসব অভিযোগের প্রমাণও পেয়েছিল পেট্রোবাংলার উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। শিল্প-কারখানায় গ্যাস চুরি, নিয়োগ-বদলি, পদোন্নতিতে অনিয়ম-দুর্নীতিসহ ১২টি অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করেছিল কমিটি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশও করা হয়েছিল সেই তালিকায় থাকা অনেকেই পেয়েছেন শাস্তির বদলে পদোন্নতি তাদের মধ্যে অন্যতম তৎকালীন উপ-মহা ব্যবস্থাপক মৌসুমী পাল বর্তমানে তিনি মহাব্যবস্থাপক হিসেবে পদোন্নতি নিয়ে আছেন বহাল তবিয়তে।
গণমাধ্যম বরাবর অভিযোগ এসেছে অবৈধ অর্থ দিয়ে সবকিছু ধামাচাপা দিয়ে রেখেছেন মহা ব্যবস্থাপক মৌসুমী পাল।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজস্ব খাতের বিভিন্ন পদে ৯০ জনবল নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি নিজস্ব ওয়েবসাইট, স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ করেছিল কেজিডিসিএল।
সব প্রক্রিয়া শেষে ৮৩জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছিল নিয়োগ কমিটি। সেই নিয়োগ নিয়ে উঠেছিল ব্যাপক অনিয়ম ও বিতর্কের অভিযোগ বিশেষ করে একটি চক্র চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে প্রায় ২৫ ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
বর্তমান মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মৌসুমী পালসহ প্রায় ১২ জনের বিরুদ্ধে বিগত অন্তর্বর্তিকালীন কালীন সরকারের আমলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জ্বালানি উপদেষ্টা দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক সহ বেশ কয়েকটি দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল।
মৌসুমী পাল এর বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি নিয়োগ বদলি বাণিজ্য করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘুষ দুর্নীতির অর্থে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক একই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক সত্যতা থাকায় মহাব্যবস্থাপক মৌসুমী পাল ও তার স্বামী ডাক্তার রাজিব খাস্তগীরসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে বেনামে নগদ অর্থ ও সম্পদের তথ্য চাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি প্রেরণ করেছে।
এই বিষয়ে জানতে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের মহাব্যবস্থাপক (আইটি এন্ড প্রিপেইড মিটারিং ডিভিশন) প্রকৌশলী মৌসুমী পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এগুলো মিথ্যা অভিযোগ ভিত্তিহীন।