নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একটি আবাসিক হল থেকে ৫০তম আবর্তনের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম কনিস্ক মাঝি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
জানা গেছে, বুধবার দুপুরে কক্ষের ভেতর কনিস্ককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁর সহপাঠীরা। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি হল প্রশাসনকে জানানো হলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের সহায়তায় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
সাভার থানা পুলিশের বরাত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্যে থাকা কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একটি আবাসিক হল থেকে ৫০তম আবর্তনের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম কনিস্ক মাঝি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
জানা গেছে, বুধবার দুপুরে কক্ষের ভেতর কনিস্ককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁর সহপাঠীরা। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি হল প্রশাসনকে জানানো হলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের সহায়তায় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
সাভার থানা পুলিশের বরাত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্যে থাকা কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।