নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নরসিংদীর পলাশে একই মহল্লার দুই বাড়ি থেকে দুই যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১১টার দিকে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার মধ্য বাগপাড়া মহল্লা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা পরস্পরের বন্ধু ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা আত্মহত্যা করেছে। তবে তা নিশ্চিত নয়। এদিকে দুই বন্ধুর মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
উদ্ধারকৃতরা হলেন, মধ্য বাগপাড়া মহল্লার আমিরুল ইসলামের ছেলে মুসান্না গালিব মিম (২৮) এবং বাগপাড়া মহল্লার বাশির উদ্দিনের ছেলে শেখ শরিফ (২৭)।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, তারা পরস্পরের বন্ধু। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা আত্মহত্যা করেছে।
স্থানীয়রা জানান, মিমের মা-বাবা অন্য জায়গায় ছিলেন। তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন।
খবর পেয়ে পলাশ থানা পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ঘরের আড়ার সঙ্গে মিমের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। লাশে পচন ধরে যাওয়ায় কয়েকদিন আগে মিম ‘আত্মহত্যা করেছেন’ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
অন্যদিকে শরিফের বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ পায় পুলিশ। বাড়িতে শরিফের অসুস্থ মা থাকেন। তবে তিনি কিছু টের পাননি বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।
পুলিশের ধারণা, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শরিফ আত্মহত্যা করেছেন।
ওসি শাহেদ আল মামুন বলেন, ‘ধারণা করা যাচ্ছে, তারা দুজনেই মাদকাসক্ত ছিলেন। তবে কী কারণে তারা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’
মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নরসিংদীর পলাশে একই মহল্লার দুই বাড়ি থেকে দুই যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১১টার দিকে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার মধ্য বাগপাড়া মহল্লা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা পরস্পরের বন্ধু ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা আত্মহত্যা করেছে। তবে তা নিশ্চিত নয়। এদিকে দুই বন্ধুর মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
উদ্ধারকৃতরা হলেন, মধ্য বাগপাড়া মহল্লার আমিরুল ইসলামের ছেলে মুসান্না গালিব মিম (২৮) এবং বাগপাড়া মহল্লার বাশির উদ্দিনের ছেলে শেখ শরিফ (২৭)।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, তারা পরস্পরের বন্ধু। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা আত্মহত্যা করেছে।
স্থানীয়রা জানান, মিমের মা-বাবা অন্য জায়গায় ছিলেন। তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন।
খবর পেয়ে পলাশ থানা পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ঘরের আড়ার সঙ্গে মিমের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। লাশে পচন ধরে যাওয়ায় কয়েকদিন আগে মিম ‘আত্মহত্যা করেছেন’ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
অন্যদিকে শরিফের বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ পায় পুলিশ। বাড়িতে শরিফের অসুস্থ মা থাকেন। তবে তিনি কিছু টের পাননি বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।
পুলিশের ধারণা, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শরিফ আত্মহত্যা করেছেন।
ওসি শাহেদ আল মামুন বলেন, ‘ধারণা করা যাচ্ছে, তারা দুজনেই মাদকাসক্ত ছিলেন। তবে কী কারণে তারা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’
মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।