নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের ধারাবাহিক হামলার নিন্দা জানিয়েছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
সোমবার (১৬ মার্চ) টেলিফোনে আলাপকালে তারা এসব হামলাকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’ বলে মন্তব্য করেন।
সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, দুই নেতা জিসিসি (গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল) সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব ধরনের সক্ষমতা ব্যবহার করার কথাও বলেন তারা।
এদিকে, সৌদি আরবে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়াতি হামলার দায় তেহরানের ওপর চাপানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ’—যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বোঝানো হয়েছে—ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনের আদলে ‘লুকাস ড্রোন’ ব্যবহার করে হামলা চালাচ্ছে।
এনায়াতি দাবি করেন, ইরান কেবল মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্বার্থকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর আক্রমণের অভিযোগ সঠিক নয়।
তবে তার এই বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সমালোচকরা। তাদের মতে, ইরানের সামরিক নেতৃত্ব আগে থেকেই উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হুমকি দিয়ে আসছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালালেও আশপাশের বেসামরিক স্থাপনাও ঝুঁকির মুখে পড়ে।
আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে ইরান হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এতে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, জ্বালানি অবকাঠামো এবং বিভিন্ন বেসামরিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে গত সপ্তাহে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, যেখানে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে ১৩টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয় এবং বিশ্বের ১৩৫টি দেশ এতে সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে সমর্থন জানায়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের ধারাবাহিক হামলার নিন্দা জানিয়েছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
সোমবার (১৬ মার্চ) টেলিফোনে আলাপকালে তারা এসব হামলাকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’ বলে মন্তব্য করেন।
সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, দুই নেতা জিসিসি (গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল) সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব ধরনের সক্ষমতা ব্যবহার করার কথাও বলেন তারা।
এদিকে, সৌদি আরবে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়াতি হামলার দায় তেহরানের ওপর চাপানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ’—যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বোঝানো হয়েছে—ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনের আদলে ‘লুকাস ড্রোন’ ব্যবহার করে হামলা চালাচ্ছে।
এনায়াতি দাবি করেন, ইরান কেবল মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্বার্থকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর আক্রমণের অভিযোগ সঠিক নয়।
তবে তার এই বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সমালোচকরা। তাদের মতে, ইরানের সামরিক নেতৃত্ব আগে থেকেই উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হুমকি দিয়ে আসছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালালেও আশপাশের বেসামরিক স্থাপনাও ঝুঁকির মুখে পড়ে।
আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে ইরান হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এতে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, জ্বালানি অবকাঠামো এবং বিভিন্ন বেসামরিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে গত সপ্তাহে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, যেখানে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে ১৩টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয় এবং বিশ্বের ১৩৫টি দেশ এতে সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে সমর্থন জানায়।