নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বিশ্বজুড়ে ইরানি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের শেষ শাহের নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি। পহলভির বাবাকে বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল।
পাহলভি বিশ্বজুড়ে ইরানিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্সিয়ান তারিখ উপলক্ষে—এই সপ্তাহের শেষের দিকে বসন্ত উৎসবের আগে—প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত পাহলভি সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “আমি বিদেশে বসবাসরত সকল ইরানিকে আহ্বান জানাচ্ছি—চাহারশনবে সুরির দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত শাসকগোষ্ঠীর দূতাবাসগুলোর সামনে জড়ো হয়ে এক কণ্ঠে বলুন- ইরান স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইতিহাসের পাতায় নেমে না যাওয়া পর্যন্ত ইরানি জাতি থামবে না।”
চাহারশনবে সুরি একটি প্রাচীন ইরানি আচার, যার শিকড় রয়েছে জরথুয়ানিজম ধর্মে। এই উৎসবে সাধারণত আতশবাজি জ্বালানো এবং ছোট আগুনের ওপর দিয়ে লাফানোর মতো আচার পালন করা হয়, যা প্রতীকীভাবে নেতিবাচকতা, অসুস্থতা ও দুর্ভাগ্য দূর করার প্রতীক।
পাহলভি আরও বলেন, “চাহারশনবে সুরির গৌরবময় ঐতিহ্য উদযাপনের মাধ্যমে আমরা নৌরোজ ও বসন্তকে স্বাগত জানাই এবং একইসঙ্গে বিশ্বকে দেখাই যে, ইরানের মুক্তির দিন ক্রমশ কাছাকাছি চলে এসেছে।”
বিশ্বজুড়ে ইরানি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের শেষ শাহের নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি। পহলভির বাবাকে বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল।
পাহলভি বিশ্বজুড়ে ইরানিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্সিয়ান তারিখ উপলক্ষে—এই সপ্তাহের শেষের দিকে বসন্ত উৎসবের আগে—প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত পাহলভি সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “আমি বিদেশে বসবাসরত সকল ইরানিকে আহ্বান জানাচ্ছি—চাহারশনবে সুরির দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত শাসকগোষ্ঠীর দূতাবাসগুলোর সামনে জড়ো হয়ে এক কণ্ঠে বলুন- ইরান স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইতিহাসের পাতায় নেমে না যাওয়া পর্যন্ত ইরানি জাতি থামবে না।”
চাহারশনবে সুরি একটি প্রাচীন ইরানি আচার, যার শিকড় রয়েছে জরথুয়ানিজম ধর্মে। এই উৎসবে সাধারণত আতশবাজি জ্বালানো এবং ছোট আগুনের ওপর দিয়ে লাফানোর মতো আচার পালন করা হয়, যা প্রতীকীভাবে নেতিবাচকতা, অসুস্থতা ও দুর্ভাগ্য দূর করার প্রতীক।
পাহলভি আরও বলেন, “চাহারশনবে সুরির গৌরবময় ঐতিহ্য উদযাপনের মাধ্যমে আমরা নৌরোজ ও বসন্তকে স্বাগত জানাই এবং একইসঙ্গে বিশ্বকে দেখাই যে, ইরানের মুক্তির দিন ক্রমশ কাছাকাছি চলে এসেছে।”