নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় সেতু (১৪) নামে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সেতু কালকিনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং কাশিমপুর গ্রামের দুলাল ঘরামীর মেয়ে।
পরিবারের অভিযোগ, একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র কাইফ (১৪) তার আপত্তিকর ছবি ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে ব্ল্যাকমেইল করছিল। এই মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে সেতু আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি তাদের।
অভিযুক্ত কাইফ দক্ষিণ কৃষ্ণনগর গ্রামের উজ্জলের ছেলে এবং তার মায়ের নাম নাসিমা।
নিহতের বাবা দুলাল ঘরামী বলেন, “কাইফ আমার মেয়ের আপত্তিকর ছবি তুলে তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিল। এ কারণে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
এদিকে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য একটি প্রভাবশালী মহল চেষ্টা চালাচ্ছে। থানা পুলিশকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করারও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, তারা মামলা করতে চাইলে থানায় মামলা নিতে গড়িমসি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় সেতু (১৪) নামে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সেতু কালকিনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং কাশিমপুর গ্রামের দুলাল ঘরামীর মেয়ে।
পরিবারের অভিযোগ, একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র কাইফ (১৪) তার আপত্তিকর ছবি ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে ব্ল্যাকমেইল করছিল। এই মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে সেতু আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি তাদের।
অভিযুক্ত কাইফ দক্ষিণ কৃষ্ণনগর গ্রামের উজ্জলের ছেলে এবং তার মায়ের নাম নাসিমা।
নিহতের বাবা দুলাল ঘরামী বলেন, “কাইফ আমার মেয়ের আপত্তিকর ছবি তুলে তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিল। এ কারণে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
এদিকে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য একটি প্রভাবশালী মহল চেষ্টা চালাচ্ছে। থানা পুলিশকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করারও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, তারা মামলা করতে চাইলে থানায় মামলা নিতে গড়িমসি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।