নিজস্ব প্রতিবেদক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাত আর মিসাইল হামলার আতঙ্কে উত্তাল সমুদ্র। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চরম ঝুঁকিতে পড়ে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজ 'বাংলার জয়যাত্রা'। ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক নিয়ে জাহাজটি বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বন্দরের বহির্নোঙরে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছে।
বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, লোহিত সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় অস্থিরতা বাড়তে থাকায় জাহাজটিকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১২ মার্চ জাহাজটি হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। কিন্তু প্রণালি থেকে মাত্র ৬৬ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকাকালীন ওই এলাকায় ভয়াবহ মিসাইল হামলার খবর আসে। এমন পরিস্থিতিতে নাবিকদের জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দ্রুত রুট পরিবর্তন করে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিএসসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক রবিবার বিকেলে বর্তমান পরিস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পণ্য পরিবহনের চেয়ে এখন নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। জাহাজটি বর্তমানে শারজাহতে থাকলেও পরবর্তী গন্তব্য হবে কাতার। সেখান থেকে পণ্য বোঝাই করে পুনরায় আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে।
তিনি আরও যোগ করেন, জেটির কাছাকাছি থাকলে এয়ার ডিফেন্স বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভালো পাওয়া যায়, যা বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জাহাজের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ করেছিল জাহাজটি। এরপর কাতার থেকে নতুন পণ্য নেওয়ার কথা থাকলেও যুদ্ধের আশঙ্কায় এটি দেশে ফেরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। বিএসসি’র এই সতর্কতা মূলত বিগত বছরের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে। এর আগে ২০২২ সালের ২ মার্চ ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিএসসি’র জাহাজ 'বাংলার সমৃদ্ধি' ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং একজন বাংলাদেশি নাবিক প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই ভয়াবহ স্মৃতি মাথায় রেখেই এবার কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না কর্তৃপক্ষ।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাত আর মিসাইল হামলার আতঙ্কে উত্তাল সমুদ্র। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চরম ঝুঁকিতে পড়ে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজ 'বাংলার জয়যাত্রা'। ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক নিয়ে জাহাজটি বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বন্দরের বহির্নোঙরে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছে।
বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, লোহিত সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় অস্থিরতা বাড়তে থাকায় জাহাজটিকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১২ মার্চ জাহাজটি হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। কিন্তু প্রণালি থেকে মাত্র ৬৬ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকাকালীন ওই এলাকায় ভয়াবহ মিসাইল হামলার খবর আসে। এমন পরিস্থিতিতে নাবিকদের জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দ্রুত রুট পরিবর্তন করে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিএসসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক রবিবার বিকেলে বর্তমান পরিস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পণ্য পরিবহনের চেয়ে এখন নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। জাহাজটি বর্তমানে শারজাহতে থাকলেও পরবর্তী গন্তব্য হবে কাতার। সেখান থেকে পণ্য বোঝাই করে পুনরায় আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে।
তিনি আরও যোগ করেন, জেটির কাছাকাছি থাকলে এয়ার ডিফেন্স বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভালো পাওয়া যায়, যা বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জাহাজের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ করেছিল জাহাজটি। এরপর কাতার থেকে নতুন পণ্য নেওয়ার কথা থাকলেও যুদ্ধের আশঙ্কায় এটি দেশে ফেরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। বিএসসি’র এই সতর্কতা মূলত বিগত বছরের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে। এর আগে ২০২২ সালের ২ মার্চ ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিএসসি’র জাহাজ 'বাংলার সমৃদ্ধি' ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং একজন বাংলাদেশি নাবিক প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই ভয়াবহ স্মৃতি মাথায় রেখেই এবার কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না কর্তৃপক্ষ।