নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে দুটি বিদেশি জাহাজ। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে জাহাজ দুটি থেকে চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের আওতায় আসা এই চালের মধ্যে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ ১১ হাজার টন এবং ভিয়েতনামের পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ ৫ হাজার টন চাল নিয়ে কলকাতা বন্দর থেকে মোংলায় নোঙর করে।
বিদেশি জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েস’-এর ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানান, প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এদিন সকাল থেকেই চাল খালাস শুরু হয়েছে। লাইটারেজ জাহাজের মাধ্যমে এই চাল নৌপথে দেশের বিভিন্ন সরকারি খাদ্যগুদামে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মোংলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার জানান, জিটুজি (সরকার টু সরকার) চুক্তির আওতায় ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে মোট ৮ লাখ টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দরে আসা এটি আমদানিকৃত চালের নবম চালান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানির প্রক্রিয়া চলমান। শুল্কমুক্ত সুবিধায় আসা এসব নন-বাসমতি চাল দেশের বাজারে সরবরাহে বড় ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকেই ভারতের পেট্রাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত চাল দেশে আসছে, যা দ্রুততার সঙ্গে সারাদেশে সরবরাহ করা হচ্ছে।
দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে দুটি বিদেশি জাহাজ। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে জাহাজ দুটি থেকে চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের আওতায় আসা এই চালের মধ্যে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ ১১ হাজার টন এবং ভিয়েতনামের পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ ৫ হাজার টন চাল নিয়ে কলকাতা বন্দর থেকে মোংলায় নোঙর করে।
বিদেশি জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েস’-এর ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানান, প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এদিন সকাল থেকেই চাল খালাস শুরু হয়েছে। লাইটারেজ জাহাজের মাধ্যমে এই চাল নৌপথে দেশের বিভিন্ন সরকারি খাদ্যগুদামে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মোংলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার জানান, জিটুজি (সরকার টু সরকার) চুক্তির আওতায় ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে মোট ৮ লাখ টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দরে আসা এটি আমদানিকৃত চালের নবম চালান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানির প্রক্রিয়া চলমান। শুল্কমুক্ত সুবিধায় আসা এসব নন-বাসমতি চাল দেশের বাজারে সরবরাহে বড় ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকেই ভারতের পেট্রাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত চাল দেশে আসছে, যা দ্রুততার সঙ্গে সারাদেশে সরবরাহ করা হচ্ছে।