নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত শেষ করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পারস্য উপসাগর থেকে তাদের সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করতে হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মহসেন রেজাই এ কথা জানান।
ইরানের সাবেক মেজর জেনারেল এবং আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার মহসেন রেজাই বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সংঘাতে হওয়া ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তার শক্ত নিশ্চয়তাও চাইবে।
ইরানের এসএনএন টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “গত ৫০ বছর ধরে পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতিই নিরাপত্তাহীনতার প্রধান কারণ।”
রেজাই দাবি করেন, “এই যুদ্ধের সমাপ্তি আমাদের হাতেও রয়েছে এবং এর অন্যতম প্রধান শর্ত হলো পারস্য উপসাগর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার।” পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও প্রত্যাশা করছে ইরান।
তার মতে, ইরান ইতিমধ্যে আমেরিকার মর্যাদাকে ভেঙে দিয়েছে এবং চলমান সংঘাত শেষে ইরান অঞ্চলটিতে আরও শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে বেরিয়ে আসবে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বুধবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “এই যুদ্ধ শেষ করার একমাত্র উপায় হলো—ইরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া, ক্ষতিপূরণ প্রদান করা এবং ভবিষ্যতে আগ্রাসন ঠেকাতে দৃঢ় আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা দেওয়া।”
পরের দিন ইরানের গণমাধ্যমে নতুন নিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোসতবা খামেনির প্রথম ভাষণ প্রকাশ করা হয়, যেখানে তিনিও “শত্রুর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করার” অঙ্গীকার করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবার তার ট্রথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, “ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না—শুধু নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া।”
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।
সামরিক অভিযানের প্রথম দিনগুলোতে সন্দেহভাজন একটি মার্কিন টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র একটি স্কুল ধ্বংস করে দেয়, যেখানে অন্তত ১৭৫ জন নিহত হয়—যাদের বেশিরভাগই শিশু। ইরানের কর্তৃপক্ষের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০’র বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত শেষ করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পারস্য উপসাগর থেকে তাদের সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করতে হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মহসেন রেজাই এ কথা জানান।
ইরানের সাবেক মেজর জেনারেল এবং আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার মহসেন রেজাই বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সংঘাতে হওয়া ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তার শক্ত নিশ্চয়তাও চাইবে।
ইরানের এসএনএন টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “গত ৫০ বছর ধরে পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতিই নিরাপত্তাহীনতার প্রধান কারণ।”
রেজাই দাবি করেন, “এই যুদ্ধের সমাপ্তি আমাদের হাতেও রয়েছে এবং এর অন্যতম প্রধান শর্ত হলো পারস্য উপসাগর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার।” পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও প্রত্যাশা করছে ইরান।
তার মতে, ইরান ইতিমধ্যে আমেরিকার মর্যাদাকে ভেঙে দিয়েছে এবং চলমান সংঘাত শেষে ইরান অঞ্চলটিতে আরও শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে বেরিয়ে আসবে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বুধবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “এই যুদ্ধ শেষ করার একমাত্র উপায় হলো—ইরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া, ক্ষতিপূরণ প্রদান করা এবং ভবিষ্যতে আগ্রাসন ঠেকাতে দৃঢ় আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা দেওয়া।”
পরের দিন ইরানের গণমাধ্যমে নতুন নিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোসতবা খামেনির প্রথম ভাষণ প্রকাশ করা হয়, যেখানে তিনিও “শত্রুর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করার” অঙ্গীকার করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবার তার ট্রথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, “ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না—শুধু নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া।”
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।
সামরিক অভিযানের প্রথম দিনগুলোতে সন্দেহভাজন একটি মার্কিন টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র একটি স্কুল ধ্বংস করে দেয়, যেখানে অন্তত ১৭৫ জন নিহত হয়—যাদের বেশিরভাগই শিশু। ইরানের কর্তৃপক্ষের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০’র বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে।