নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির প্রতি তাদের অবস্থানকে আরও শক্ত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সংঘাত উত্তর কোরিয়ার কাছে আবারও প্রমাণ করেছে যে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারমাণবিক অস্ত্রকে তারা অপরিহার্য মনে করে।
সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া একটি যুদ্ধজাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়। দেশটির নেতা কিম জং উন জানান, জাহাজে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থানের বার্তা দিতে চেয়েছে পিয়ংইয়ং।
এ সময় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখে রয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান খুব শিগগির পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর হামলা উত্তর কোরিয়াকে আরও বেশি বিশ্বাস করাতে পারে যে পারমাণবিক অস্ত্রই তাদের সরকারের টিকে থাকার প্রধান নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দক্ষিণ কোরিয়ার এক বিশ্লেষক বলেন, ইরানের ওপর এ ধরনের হামলা উত্তর কোরিয়ার কাছে বার্তা দিতে পারে যে পারমাণবিক অস্ত্র না থাকলে একটি দেশ সহজে আক্রমণের শিকার হতে পারে।
উত্তর কোরিয়া প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ২০০৬ সালে এবং সর্বশেষ পরীক্ষা করে ২০১৭ সালে। আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, দেশটির কাছে বর্তমানে প্রায় ৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে এবং আরও কয়েক ডজন তৈরির সক্ষমতা থাকতে পারে।
তবে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উত্তর কোরিয়া একদিকে যেমন পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার দরজাও পুরোপুরি বন্ধ করছে না। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি যেদিকেই যাক, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান এখনো তাদের রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির প্রতি তাদের অবস্থানকে আরও শক্ত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সংঘাত উত্তর কোরিয়ার কাছে আবারও প্রমাণ করেছে যে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারমাণবিক অস্ত্রকে তারা অপরিহার্য মনে করে।
সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া একটি যুদ্ধজাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়। দেশটির নেতা কিম জং উন জানান, জাহাজে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থানের বার্তা দিতে চেয়েছে পিয়ংইয়ং।
এ সময় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখে রয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান খুব শিগগির পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর হামলা উত্তর কোরিয়াকে আরও বেশি বিশ্বাস করাতে পারে যে পারমাণবিক অস্ত্রই তাদের সরকারের টিকে থাকার প্রধান নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দক্ষিণ কোরিয়ার এক বিশ্লেষক বলেন, ইরানের ওপর এ ধরনের হামলা উত্তর কোরিয়ার কাছে বার্তা দিতে পারে যে পারমাণবিক অস্ত্র না থাকলে একটি দেশ সহজে আক্রমণের শিকার হতে পারে।
উত্তর কোরিয়া প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ২০০৬ সালে এবং সর্বশেষ পরীক্ষা করে ২০১৭ সালে। আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, দেশটির কাছে বর্তমানে প্রায় ৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে এবং আরও কয়েক ডজন তৈরির সক্ষমতা থাকতে পারে।
তবে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উত্তর কোরিয়া একদিকে যেমন পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার দরজাও পুরোপুরি বন্ধ করছে না। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি যেদিকেই যাক, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান এখনো তাদের রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে।