নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি মার্কিন সামরিক জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর এর ছয়জন ক্রু সদস্যের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
সেন্টকম জানায়, কেসি-১৩৫ স্ট্রাটোট্যাংকার বিমানটি হারিয়ে যাওয়ার পরও উদ্ধার অভিযান চলছিল। তারা আগে বলেছিল যে, বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় শত্রুপক্ষ বা মিত্রপক্ষের গুলিবর্ষণের কোনো ভূমিকা ছিল না।
জ্বালানি সরবরাহকারী এই বিমানটি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছিল এবং ঘটনাটিতে দুটি বিমান জড়িত ছিল। দ্বিতীয় বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
বোংয়িং নির্মিত এই ধরনের বিমান মাঝ আকাশে অন্য বিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করতে পারে এবং সাধারণত মার্কিন সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে-এ যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানের কার্যক্ষমতার পরিসর বাড়ানোর জন্য এগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল।
সেন্টকম জানায়, ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার সময়ে ঘটে এবং দুর্ঘটনার কারণ এখন তদন্ত করা হচ্ছে।
মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নিহতদের পরিচয় ২৪ ঘণ্টার জন্য গোপন রাখা হয়েছে, যাতে তাদের নিকটাত্মীয়দের আগে জানানো যায়।
ডাক কেইন শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিমানটি “ক্রুরা যখন একটি যুদ্ধ মিশনে ছিল তখন” বিধ্বস্ত হয়।
তিনি বলেন, “আমরা এখনো এটিকে সক্রিয় উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার অভিযান হিসেবে বিবেচনা করছি।”
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পেটে হেগসেথ বিমানটির ক্রু সদস্যদের “আমেরিকান বীর” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তাদের “ত্যাগ এই মিশনের প্রতি আমাদের সংকল্পকে আরও শক্ত করবে।”
কেসি-১২৩ বিমানে সাধারণত একজন পাইলট, একজন কো-পাইলট এবং একজন বুম অপারেটর থাকেন, যিনি বিমানের জ্বালানি সরবরাহকারী বাহু নিয়ন্ত্রণ করেন।
সেন্টকম আগে বলেছিল দুর্ঘটনাটি মিত্র নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমায় ঘটেছে—তবে এটি ইরাকের এমন একটি অঞ্চল যেখানে ইরানপন্থী মিলিশিয়ারা সক্রিয়। ইরানের সামরিক বাহিনী রাষ্ট্রীয় টিভিতে দাবি করেছে যে, তাদের মিত্র একটি দল ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিমানটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
বৃহস্পতিবারের এই দুর্ঘটনার ফলে দুই সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সরকারি মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে।
বর্তমান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি বিমান হারিয়েছে।
এই মাসের শুরুতে কর্মকর্তারা জানান, ‘এফ-১৫ ঈগল’ ধরনের তিনটি যুদ্ধবিমান কুয়েতের আকাশে “সম্ভাব্য বন্ধুসুলভ গুলিবর্ষণের ঘটনায়” ভূপাতিত হয়েছিল। তবে ছয়জন ক্রু সদস্যই নিরাপদে ইজেক্ট করতে সক্ষম হন।
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি মার্কিন সামরিক জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর এর ছয়জন ক্রু সদস্যের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
সেন্টকম জানায়, কেসি-১৩৫ স্ট্রাটোট্যাংকার বিমানটি হারিয়ে যাওয়ার পরও উদ্ধার অভিযান চলছিল। তারা আগে বলেছিল যে, বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় শত্রুপক্ষ বা মিত্রপক্ষের গুলিবর্ষণের কোনো ভূমিকা ছিল না।
জ্বালানি সরবরাহকারী এই বিমানটি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছিল এবং ঘটনাটিতে দুটি বিমান জড়িত ছিল। দ্বিতীয় বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
বোংয়িং নির্মিত এই ধরনের বিমান মাঝ আকাশে অন্য বিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করতে পারে এবং সাধারণত মার্কিন সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে-এ যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানের কার্যক্ষমতার পরিসর বাড়ানোর জন্য এগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল।
সেন্টকম জানায়, ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার সময়ে ঘটে এবং দুর্ঘটনার কারণ এখন তদন্ত করা হচ্ছে।
মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নিহতদের পরিচয় ২৪ ঘণ্টার জন্য গোপন রাখা হয়েছে, যাতে তাদের নিকটাত্মীয়দের আগে জানানো যায়।
ডাক কেইন শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিমানটি “ক্রুরা যখন একটি যুদ্ধ মিশনে ছিল তখন” বিধ্বস্ত হয়।
তিনি বলেন, “আমরা এখনো এটিকে সক্রিয় উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার অভিযান হিসেবে বিবেচনা করছি।”
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পেটে হেগসেথ বিমানটির ক্রু সদস্যদের “আমেরিকান বীর” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তাদের “ত্যাগ এই মিশনের প্রতি আমাদের সংকল্পকে আরও শক্ত করবে।”
কেসি-১২৩ বিমানে সাধারণত একজন পাইলট, একজন কো-পাইলট এবং একজন বুম অপারেটর থাকেন, যিনি বিমানের জ্বালানি সরবরাহকারী বাহু নিয়ন্ত্রণ করেন।
সেন্টকম আগে বলেছিল দুর্ঘটনাটি মিত্র নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমায় ঘটেছে—তবে এটি ইরাকের এমন একটি অঞ্চল যেখানে ইরানপন্থী মিলিশিয়ারা সক্রিয়। ইরানের সামরিক বাহিনী রাষ্ট্রীয় টিভিতে দাবি করেছে যে, তাদের মিত্র একটি দল ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিমানটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
বৃহস্পতিবারের এই দুর্ঘটনার ফলে দুই সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সরকারি মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে।
বর্তমান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি বিমান হারিয়েছে।
এই মাসের শুরুতে কর্মকর্তারা জানান, ‘এফ-১৫ ঈগল’ ধরনের তিনটি যুদ্ধবিমান কুয়েতের আকাশে “সম্ভাব্য বন্ধুসুলভ গুলিবর্ষণের ঘটনায়” ভূপাতিত হয়েছিল। তবে ছয়জন ক্রু সদস্যই নিরাপদে ইজেক্ট করতে সক্ষম হন।