নিজস্ব প্রতিবেদক
ভয়াবহ উত্তেজনার মাঝে এবার হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলার শিকার হয়েছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ জার্মান শিপিং কোম্পানি হাপাগ-লয়েডের একটি কার্গো জাহাজ। কোম্পানিটি জানিয়েছে, তাদের 'সোর্স ব্লেসিং' নামক জাহাজটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ অতিক্রম করার সময় একটি প্রজেক্টাইলের (ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন) ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরাসরি আঘাত না হলেও প্রজেক্টাইলের ওই টুকরো জাহাজে আছড়ে পড়ার পর সেখানে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
তবে হাপাগ-লয়েড নিশ্চিত করেছে, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং জাহাজের সব ক্রু সদস্য বর্তমানে নিরাপদ আছেন।
এই হামলার ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সংঘাত চরম রূপ নিয়েছে। হাপাগ-লয়েড বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে তাদের শত শত জাহাজ চলাচল করে। রোমহর্ষক এই ঘটনার ঠিক একদিন আগেই কোম্পানিটি নিরাপত্তার খাতিরে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সমস্ত কার্গো বুকিং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিল। তাদের আগে আরেক জায়ান্ট শিপিং গ্রুপ 'মারস্ক'-ও একই ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ওই রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়।
মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর ধারাবাহিক আক্রমণের ফলে বিশ্ব বাণিজ্য এখন হুমকির মুখে। গাজা সংকটের পর থেকে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ও আঞ্চলিক শক্তির পাল্টাপাল্টি হামলার প্রভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ইতিপূর্বে হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে বিশ্বের অনেক বড় শিপিং কোম্পানি আফ্রিকা হয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে জাহাজ চালাতে বাধ্য হচ্ছে। হাপাগ-লয়েডের জাহাজে এই সর্বশেষ আঘাতটি প্রমাণ করে যে, এই অঞ্চলের জলপথগুলো এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা বিশ্ববাজারে পণ্য পরিবহন খরচ ও জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।
ভয়াবহ উত্তেজনার মাঝে এবার হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলার শিকার হয়েছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ জার্মান শিপিং কোম্পানি হাপাগ-লয়েডের একটি কার্গো জাহাজ। কোম্পানিটি জানিয়েছে, তাদের 'সোর্স ব্লেসিং' নামক জাহাজটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ অতিক্রম করার সময় একটি প্রজেক্টাইলের (ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন) ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরাসরি আঘাত না হলেও প্রজেক্টাইলের ওই টুকরো জাহাজে আছড়ে পড়ার পর সেখানে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
তবে হাপাগ-লয়েড নিশ্চিত করেছে, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং জাহাজের সব ক্রু সদস্য বর্তমানে নিরাপদ আছেন।
এই হামলার ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সংঘাত চরম রূপ নিয়েছে। হাপাগ-লয়েড বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে তাদের শত শত জাহাজ চলাচল করে। রোমহর্ষক এই ঘটনার ঠিক একদিন আগেই কোম্পানিটি নিরাপত্তার খাতিরে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সমস্ত কার্গো বুকিং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিল। তাদের আগে আরেক জায়ান্ট শিপিং গ্রুপ 'মারস্ক'-ও একই ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ওই রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়।
মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর ধারাবাহিক আক্রমণের ফলে বিশ্ব বাণিজ্য এখন হুমকির মুখে। গাজা সংকটের পর থেকে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ও আঞ্চলিক শক্তির পাল্টাপাল্টি হামলার প্রভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ইতিপূর্বে হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে বিশ্বের অনেক বড় শিপিং কোম্পানি আফ্রিকা হয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে জাহাজ চালাতে বাধ্য হচ্ছে। হাপাগ-লয়েডের জাহাজে এই সর্বশেষ আঘাতটি প্রমাণ করে যে, এই অঞ্চলের জলপথগুলো এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা বিশ্ববাজারে পণ্য পরিবহন খরচ ও জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।