নিজস্ব প্রতিবেদক
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই জলপথটি এখন সম্পূর্ণভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণে এবং সাম্প্রতিক হামলায় জড়িত কোনো দেশের জাহাজকে এখান দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না।
ইরানের সামরিক অভিযান তদারককারী সংস্থা ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে এই কড়া হুঁশিয়ারি আসে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব এখন বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) দক্ষ নৌবাহিনীর হাতে। সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, আমেরিকান আগ্রাসী শক্তি এবং তাদের সহযোগীদের এই স্পর্শকাতর রুট ব্যবহারের কোনো আইনগত অধিকার নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই জলপথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এর আগে তেহরান ঘোষণা করেছিল, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় সহায়তাকারী দেশগুলোর জন্য এই রুটটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরের অদূরে একটি কনটেইনার জাহাজে রহস্যজনক হামলার খবর পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, বন্দর থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তরে চলন্ত একটি জাহাজে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ আঘাত হেনেছে।
আঘাতের ফলে জাহাজটিতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। জাহাজের ক্যাপ্টেনের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, অন্ধকারের কারণে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে স্বস্তির খবর হলো, জাহাজের সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং বড় ধরনের কোনো পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই।
আনাদোলু এজেন্সির তথ্যানুসারে, মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই জলপথটি এখন সম্পূর্ণভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণে এবং সাম্প্রতিক হামলায় জড়িত কোনো দেশের জাহাজকে এখান দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না।
ইরানের সামরিক অভিযান তদারককারী সংস্থা ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে এই কড়া হুঁশিয়ারি আসে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব এখন বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) দক্ষ নৌবাহিনীর হাতে। সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, আমেরিকান আগ্রাসী শক্তি এবং তাদের সহযোগীদের এই স্পর্শকাতর রুট ব্যবহারের কোনো আইনগত অধিকার নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই জলপথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এর আগে তেহরান ঘোষণা করেছিল, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় সহায়তাকারী দেশগুলোর জন্য এই রুটটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরের অদূরে একটি কনটেইনার জাহাজে রহস্যজনক হামলার খবর পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, বন্দর থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তরে চলন্ত একটি জাহাজে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ আঘাত হেনেছে।
আঘাতের ফলে জাহাজটিতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। জাহাজের ক্যাপ্টেনের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, অন্ধকারের কারণে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে স্বস্তির খবর হলো, জাহাজের সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং বড় ধরনের কোনো পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই।
আনাদোলু এজেন্সির তথ্যানুসারে, মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।