নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানে সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বকে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বখ্যাত ইসলামী স্কলার ও পাকিস্তানের বরেণ্য আলেম মুফতি তাকি উসমানি। তিনি বলেন, শিয়া–সুন্নি মতভেদ উসকে না দিয়ে আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে মুসলমানদের একসঙ্গে দাঁড়ানোই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
সম্প্রতি পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচি-তে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানের অধিকাংশ মানুষ শিয়া মতের অনুসারী হলেও এই মুহূর্তে মতপার্থক্য সামনে আনা উচিত নয়। তার মতে, ‘কোন সময়ে কোন কথা বলা উচিত, সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। এখন কি সেই সময়, যখন শিয়া-সুন্নি বিরোধ উসকে দেওয়া হবে?'
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা করেছে আকিদাগত মতভেদের কারণে নয়; বরং ইরানের নেতা মুসলিম বিশ্বের একজন প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এ কারণে ইরানের জনগণ যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তা বিবেচনায় তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মুফতি তাকি উসমানি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নীতিরও তীব্র সমালোচনা করেন। তার ভাষায়, বর্তমানে এমন এক ধরনের ‘বৈশ্বিক গুন্ডামি’ শুরু হয়েছে যেখানে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো যখন ইচ্ছা তখন অন্য দেশের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইন বা নৈতিকতার তোয়াক্কা করছে না।
তিনি অভিযোগ করেন, আলোচনার প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর ফলে মুসলিম বিশ্ব একটি ভয়াবহ ফিতনার মুখোমুখি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইরানের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণের বিষয়েও বিদেশি হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই সময়ে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দোয়া ও ঐক্য। মুসলমানরা যদি এক হয়ে যায়, তাহলে কোনো শক্তিই তাদের ক্ষতি করতে পারবে না।’
শেষে তিনি মুসলিম বিশ্বকে বেশি বেশি দোয়া করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আল্লাহর রহমতের মাধ্যমেই বর্তমান সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে পারে।
ইরানে সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বকে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বখ্যাত ইসলামী স্কলার ও পাকিস্তানের বরেণ্য আলেম মুফতি তাকি উসমানি। তিনি বলেন, শিয়া–সুন্নি মতভেদ উসকে না দিয়ে আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে মুসলমানদের একসঙ্গে দাঁড়ানোই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
সম্প্রতি পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচি-তে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানের অধিকাংশ মানুষ শিয়া মতের অনুসারী হলেও এই মুহূর্তে মতপার্থক্য সামনে আনা উচিত নয়। তার মতে, ‘কোন সময়ে কোন কথা বলা উচিত, সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। এখন কি সেই সময়, যখন শিয়া-সুন্নি বিরোধ উসকে দেওয়া হবে?'
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা করেছে আকিদাগত মতভেদের কারণে নয়; বরং ইরানের নেতা মুসলিম বিশ্বের একজন প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এ কারণে ইরানের জনগণ যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তা বিবেচনায় তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মুফতি তাকি উসমানি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নীতিরও তীব্র সমালোচনা করেন। তার ভাষায়, বর্তমানে এমন এক ধরনের ‘বৈশ্বিক গুন্ডামি’ শুরু হয়েছে যেখানে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো যখন ইচ্ছা তখন অন্য দেশের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইন বা নৈতিকতার তোয়াক্কা করছে না।
তিনি অভিযোগ করেন, আলোচনার প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর ফলে মুসলিম বিশ্ব একটি ভয়াবহ ফিতনার মুখোমুখি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইরানের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণের বিষয়েও বিদেশি হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই সময়ে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দোয়া ও ঐক্য। মুসলমানরা যদি এক হয়ে যায়, তাহলে কোনো শক্তিই তাদের ক্ষতি করতে পারবে না।’
শেষে তিনি মুসলিম বিশ্বকে বেশি বেশি দোয়া করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আল্লাহর রহমতের মাধ্যমেই বর্তমান সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে পারে।