নিজস্ব প্রতিবেদক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শেষ হলো ৮ মার্চ রোববার। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিয়ে তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।
টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন ভারতের সাঞ্জু স্যামসন, ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস, পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান, দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিডি ও এইডেন মার্করাম, নিউজিল্যান্ডের রাচিন রবীন্দ্র ও টিম সেইফার্ট, যুক্তরাষ্ট্রের শ্যাডলি ফন শ্যালকভিক।
ফাইনাল ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রানে ৪ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরা হন। টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন সাঞ্জু স্যামসন। তিনি ৫ ইনিংসে ৮০.২৫ গড়ে ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করেছেন।
সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন পাকিস্তানের তারকা ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। সর্বোচ্চ ১৪ উইকেট শিকার করেন জসপ্রীত বুমরাহ।
সর্বোচ্চ ছক্কা, ৫ ইনিংসে ২৪ ছক্কা হাঁকান সাঞ্জু স্যামসন।
সেরা ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট: ফিন অ্যালেন– নিউজিল্যান্ড (২০০.০০)। সেরা বোলিং ইকোনমি রেট: জসপ্রীত বুমরাহ– ভারত (৬.২১, ন্যূনতম ৫ ম্যাচ)।
ম্যাচসেরা হয়ে বুমরাহ বলেছেন, ‘এটি অত্যন্ত বিশেষ একটি মুহূর্ত। কারণ এর আগে আমি আমার নিজের ঘরের মাঠে একটি ফাইনাল খেলেছি এবং সেটি আমরা জিততে পারিনি। তবে এই জয়টি সত্যিই অন্যরকম। আমি এর চেয়ে বেশি খুশি আর হতে পারতাম না। বিশ্বকাপের ফাইনালে এখানে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হওয়া আমার কাছে সবচেয়ে বিশেষ। কারণ আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ার এখান থেকেই শুরু হয়েছিল। এর চেয়ে ভালো কিছু আর হতে পারে না।’
টুর্নামেন্ট সেরা হয়ে সাঞ্জু স্যামসন বলেছেন, ‘এটি স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে! আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ। একদম অবাস্তব এক অনুভূতি। সবকিছুর শুরু হয়েছিল গত বিশ্বকাপ থেকে। আগের আসরে আমি একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ পাইনি, কিন্তু আমি নিজের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম এবং স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলাম। সত্যি বলতে, অনেক কিছু নিয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম না, তবে যখনই সুযোগ পেয়েছি, সেটা কাজে লাগিয়েছি। এর চেয়ে বেশি আর কী চাওয়ার থাকতে পারে? এই মুহূর্তটির রেশ কাটাতে আমার আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শেষ হলো ৮ মার্চ রোববার। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিয়ে তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।
টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন ভারতের সাঞ্জু স্যামসন, ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস, পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান, দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিডি ও এইডেন মার্করাম, নিউজিল্যান্ডের রাচিন রবীন্দ্র ও টিম সেইফার্ট, যুক্তরাষ্ট্রের শ্যাডলি ফন শ্যালকভিক।
ফাইনাল ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রানে ৪ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরা হন। টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন সাঞ্জু স্যামসন। তিনি ৫ ইনিংসে ৮০.২৫ গড়ে ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করেছেন।
সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন পাকিস্তানের তারকা ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। সর্বোচ্চ ১৪ উইকেট শিকার করেন জসপ্রীত বুমরাহ।
সর্বোচ্চ ছক্কা, ৫ ইনিংসে ২৪ ছক্কা হাঁকান সাঞ্জু স্যামসন।
সেরা ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট: ফিন অ্যালেন– নিউজিল্যান্ড (২০০.০০)। সেরা বোলিং ইকোনমি রেট: জসপ্রীত বুমরাহ– ভারত (৬.২১, ন্যূনতম ৫ ম্যাচ)।
ম্যাচসেরা হয়ে বুমরাহ বলেছেন, ‘এটি অত্যন্ত বিশেষ একটি মুহূর্ত। কারণ এর আগে আমি আমার নিজের ঘরের মাঠে একটি ফাইনাল খেলেছি এবং সেটি আমরা জিততে পারিনি। তবে এই জয়টি সত্যিই অন্যরকম। আমি এর চেয়ে বেশি খুশি আর হতে পারতাম না। বিশ্বকাপের ফাইনালে এখানে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হওয়া আমার কাছে সবচেয়ে বিশেষ। কারণ আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ার এখান থেকেই শুরু হয়েছিল। এর চেয়ে ভালো কিছু আর হতে পারে না।’
টুর্নামেন্ট সেরা হয়ে সাঞ্জু স্যামসন বলেছেন, ‘এটি স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে! আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ। একদম অবাস্তব এক অনুভূতি। সবকিছুর শুরু হয়েছিল গত বিশ্বকাপ থেকে। আগের আসরে আমি একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ পাইনি, কিন্তু আমি নিজের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম এবং স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলাম। সত্যি বলতে, অনেক কিছু নিয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম না, তবে যখনই সুযোগ পেয়েছি, সেটা কাজে লাগিয়েছি। এর চেয়ে বেশি আর কী চাওয়ার থাকতে পারে? এই মুহূর্তটির রেশ কাটাতে আমার আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।’