নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আয়াতুল্লাহ সায়েদ মোজতাবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি এ ঘটনাকে ইরানি জাতির জন্য একটি ‘মহান নিয়ামত’ বলে অভিহিত করেছেন।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কালিবাফ বলেন, গর্বিত ও শহীদপ্রিয় ইরানি জাতির জন্য মোজতবা খামেনির নেতৃত্ব একটি বড় আশীর্বাদ। তার ভাষায়, আল্লাহর রহমতে এখন ইরান এমন একজন নেতার নেতৃত্বে রয়েছে, যিনি ধর্মপ্রাণ, বিপ্লবী, সাহসী এবং সমসাময়িক বাস্তবতা সম্পর্কে গভীরভাবে অবগত।
কালিবাফ আরও বলেন, নতুন নেতা শুধু শাসনব্যবস্থায় দক্ষই নন, বরং তিনি ইসলামি বিপ্লবের দ্বিতীয় ধাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গিরও অধিকারী।
তিনি উল্লেখ করেন, মোজতবা খামেনির পারিবারিক ইতিহাসও শহীদদের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত—তিনি শহীদদের সন্তান, ভাই ও স্বামী হিসেবে পরিচিত।
পার্লামেন্ট স্পিকারের ভাষায়, মোজতবা খামেনি শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ সায়েদ আলি খামেনির প্রকৃত উত্তরসূরি এবং আল্লাহর সহায়তায় তিনি ইসলামি বিপ্লবের নৌকাকে একটি সমৃদ্ধ, উন্নত ও ঐক্যবদ্ধ ইরানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
এর আগে, ৯ মার্চ ভোরে ইরানের বিশেষ সাংবিধানিক সংস্থা অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস মোজতবা খামেনিকে ইসলামি বিপ্লবের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শহীদ হন দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি। তিনি ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর থেকে প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইরানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস এক বিবৃতিতে আলি খামেনিসহ হামলায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ও শত্রুদের সরাসরি হুমকি থাকা সত্ত্বেও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে বিলম্ব করেনি পরিষদটি। শহীদ হওয়ার পরপরই নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
পরিষদটি জানায়, বিস্তারিত পর্যালোচনা ও ধর্মীয় দায়িত্ব বিবেচনায় রবিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে সদস্যদের বিপুল ভোটে মুজতবা খামেনিকে ইসলামি বিপ্লবের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
উল্লেখ্য, অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসই ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে নির্বাচন ও তার কার্যক্রম তদারকি করে। সংস্থাটির সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে আট বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আয়াতুল্লাহ সায়েদ মোজতাবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি এ ঘটনাকে ইরানি জাতির জন্য একটি ‘মহান নিয়ামত’ বলে অভিহিত করেছেন।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কালিবাফ বলেন, গর্বিত ও শহীদপ্রিয় ইরানি জাতির জন্য মোজতবা খামেনির নেতৃত্ব একটি বড় আশীর্বাদ। তার ভাষায়, আল্লাহর রহমতে এখন ইরান এমন একজন নেতার নেতৃত্বে রয়েছে, যিনি ধর্মপ্রাণ, বিপ্লবী, সাহসী এবং সমসাময়িক বাস্তবতা সম্পর্কে গভীরভাবে অবগত।
কালিবাফ আরও বলেন, নতুন নেতা শুধু শাসনব্যবস্থায় দক্ষই নন, বরং তিনি ইসলামি বিপ্লবের দ্বিতীয় ধাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গিরও অধিকারী।
তিনি উল্লেখ করেন, মোজতবা খামেনির পারিবারিক ইতিহাসও শহীদদের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত—তিনি শহীদদের সন্তান, ভাই ও স্বামী হিসেবে পরিচিত।
পার্লামেন্ট স্পিকারের ভাষায়, মোজতবা খামেনি শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ সায়েদ আলি খামেনির প্রকৃত উত্তরসূরি এবং আল্লাহর সহায়তায় তিনি ইসলামি বিপ্লবের নৌকাকে একটি সমৃদ্ধ, উন্নত ও ঐক্যবদ্ধ ইরানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
এর আগে, ৯ মার্চ ভোরে ইরানের বিশেষ সাংবিধানিক সংস্থা অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস মোজতবা খামেনিকে ইসলামি বিপ্লবের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শহীদ হন দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি। তিনি ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর থেকে প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইরানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস এক বিবৃতিতে আলি খামেনিসহ হামলায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ও শত্রুদের সরাসরি হুমকি থাকা সত্ত্বেও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে বিলম্ব করেনি পরিষদটি। শহীদ হওয়ার পরপরই নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
পরিষদটি জানায়, বিস্তারিত পর্যালোচনা ও ধর্মীয় দায়িত্ব বিবেচনায় রবিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে সদস্যদের বিপুল ভোটে মুজতবা খামেনিকে ইসলামি বিপ্লবের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
উল্লেখ্য, অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসই ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে নির্বাচন ও তার কার্যক্রম তদারকি করে। সংস্থাটির সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে আট বছরের জন্য নির্বাচিত হন।