নিজস্ব প্রতিবেদক
বৈশ্বিক তেলের বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পাঁচটি জ্বালানি স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমানবাহিনী। গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাতের এই হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
আজ রোববার (৮ মার্চ) ইরানের জাতীয় তেল উত্তোলন ও বিতরণ কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহী কেরামাত বিয়েসকারামি দেশটির সরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, তেহরান ও আলবোর্জ প্রদেশে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় চারটি তেলের ডিপো এবং একটি পেট্রোলিয়াম পরিবহন কেন্দ্র গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কেরামাত বিয়েসকারামি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে দুজন তেলের ট্যাংকার ট্রাকের চালক ছিলেন।
অন্য দিকে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও সক্ষমতা দুর্বল করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলার পর তেলের ডিপোগুলোতে বড় ধরনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে থাকে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই হামলার কারণে ইরানের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
বৈশ্বিক তেলের বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পাঁচটি জ্বালানি স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমানবাহিনী। গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাতের এই হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
আজ রোববার (৮ মার্চ) ইরানের জাতীয় তেল উত্তোলন ও বিতরণ কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহী কেরামাত বিয়েসকারামি দেশটির সরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, তেহরান ও আলবোর্জ প্রদেশে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় চারটি তেলের ডিপো এবং একটি পেট্রোলিয়াম পরিবহন কেন্দ্র গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কেরামাত বিয়েসকারামি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে দুজন তেলের ট্যাংকার ট্রাকের চালক ছিলেন।
অন্য দিকে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও সক্ষমতা দুর্বল করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলার পর তেলের ডিপোগুলোতে বড় ধরনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে থাকে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই হামলার কারণে ইরানের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।