নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা সামরিক ও সামরিক সহায়তা কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ২৫তম ধাপ শুরু করেছে।
শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে আইআরজিসি এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, নতুন এই হামলায় উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, হাইপারসনিক ‘ফাতাহ’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ‘এমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হচ্ছে।
ইরানের সামরিক সূত্র অনুযায়ী, অভিযানে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং সামরিক সহায়তা অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ফাতাহ ক্ষেপণাস্ত্রকে ইরান হাইপারসনিক বলে দাবি করে, যা উচ্চ গতি ও গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতার কারণে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে বলে বলা হয়। অন্যদিকে এমাদ একটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা প্রায় ১,৮০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
এই হামলা চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা সামরিক ও সামরিক সহায়তা কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ২৫তম ধাপ শুরু করেছে।
শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে আইআরজিসি এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, নতুন এই হামলায় উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, হাইপারসনিক ‘ফাতাহ’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ‘এমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হচ্ছে।
ইরানের সামরিক সূত্র অনুযায়ী, অভিযানে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং সামরিক সহায়তা অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ফাতাহ ক্ষেপণাস্ত্রকে ইরান হাইপারসনিক বলে দাবি করে, যা উচ্চ গতি ও গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতার কারণে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে বলে বলা হয়। অন্যদিকে এমাদ একটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা প্রায় ১,৮০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
এই হামলা চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।