নিজস্ব প্রতিবেদক
চাকরি কিংবা প্রথাগত ব্যবসা নয়, কেবল অন্যের পোষা বিড়ালের দেখাশোনা করেই দুই সপ্তাহে ১ লাখ ৬০ হাজার ইউয়ান আয় করেছেন এক চীনা তরুণ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকার বেশি।
সাংহাইয়ের বাসিন্দা হুয়ান কংয়ের এমন অভাবনীয় আয়ের খবর এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রে।
চীনে নববর্ষের দীর্ঘ ছুটিতে দেশটির লাখো মানুষ যখন শহর ছেড়ে গ্রামে বা ভ্রমণে যান, তখন তাঁদের প্রিয় পোষা প্রাণীদের দেখভাল করা নিয়ে বিপাকে পড়েন। ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে প্রাণীদের নেওয়া সব সময় সম্ভব হয় না বলে এই সময়ে দেশটিতে ‘পেট কেয়ার’ বা পোষা প্রাণীর সেবামূলক খাতের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। সেই সুযোগটিকেই দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী হুয়ান।
দীর্ঘ নয় বছর ধরে পেশাদারভাবে পোষা প্রাণীর সেবা দিয়ে আসা হুয়ান এবার নববর্ষের ছুটি ঘিরে (১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ) তাঁর চার সদস্যের দল নিয়ে এক ব্যস্ত সময়সূচি তৈরি করেন। উৎসবের এই ২০ দিনে তাঁরা প্রায় ২ হাজার বাড়িতে গিয়ে বিড়ালের সেবা দিয়েছেন।
এর মধ্যে হুয়ান একাই গিয়েছেন প্রায় ১ হাজার বাড়িতে। কাজের চাপে কোনো কোনো দিন তাঁকে একাই ৫৫টি বাড়িতে গিয়ে বিড়ালের তদারকি করতে হয়েছে।
কাজের ধরন সম্পর্কে হুয়ান জানান, প্রতিটি বাড়িতে তিনি গড়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় ব্যয় করেন। এই সময়ের মধ্যে বিড়ালের খাবার ও পানি বদলে দেওয়া, লিটার বক্স (মলমূত্র) পরিষ্কার করা এবং বিড়ালের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখার মতো কাজগুলো সেরে নেন তিনি।
এ ছাড়া অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নখ কাটা বা ওষুধ খাইয়ে দেওয়ার মতো বিশেষ সেবাও দিয়ে থাকেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উৎসবের মৌসুমে যখন মানুষ বাড়ির বাইরে থাকেন, তখন নির্ভরযোগ্য ও পেশাদার পেট কেয়ার সার্ভিসের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। হুয়ানের মতো তরুণরা সময়ের এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে যেমন সেবা দিচ্ছেন, তেমনি আর্থিকভাবেও বড় ধরনের সাফল্য পাচ্ছেন।
চাকরি কিংবা প্রথাগত ব্যবসা নয়, কেবল অন্যের পোষা বিড়ালের দেখাশোনা করেই দুই সপ্তাহে ১ লাখ ৬০ হাজার ইউয়ান আয় করেছেন এক চীনা তরুণ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকার বেশি।
সাংহাইয়ের বাসিন্দা হুয়ান কংয়ের এমন অভাবনীয় আয়ের খবর এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রে।
চীনে নববর্ষের দীর্ঘ ছুটিতে দেশটির লাখো মানুষ যখন শহর ছেড়ে গ্রামে বা ভ্রমণে যান, তখন তাঁদের প্রিয় পোষা প্রাণীদের দেখভাল করা নিয়ে বিপাকে পড়েন। ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে প্রাণীদের নেওয়া সব সময় সম্ভব হয় না বলে এই সময়ে দেশটিতে ‘পেট কেয়ার’ বা পোষা প্রাণীর সেবামূলক খাতের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। সেই সুযোগটিকেই দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী হুয়ান।
দীর্ঘ নয় বছর ধরে পেশাদারভাবে পোষা প্রাণীর সেবা দিয়ে আসা হুয়ান এবার নববর্ষের ছুটি ঘিরে (১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ) তাঁর চার সদস্যের দল নিয়ে এক ব্যস্ত সময়সূচি তৈরি করেন। উৎসবের এই ২০ দিনে তাঁরা প্রায় ২ হাজার বাড়িতে গিয়ে বিড়ালের সেবা দিয়েছেন।
এর মধ্যে হুয়ান একাই গিয়েছেন প্রায় ১ হাজার বাড়িতে। কাজের চাপে কোনো কোনো দিন তাঁকে একাই ৫৫টি বাড়িতে গিয়ে বিড়ালের তদারকি করতে হয়েছে।
কাজের ধরন সম্পর্কে হুয়ান জানান, প্রতিটি বাড়িতে তিনি গড়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় ব্যয় করেন। এই সময়ের মধ্যে বিড়ালের খাবার ও পানি বদলে দেওয়া, লিটার বক্স (মলমূত্র) পরিষ্কার করা এবং বিড়ালের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখার মতো কাজগুলো সেরে নেন তিনি।
এ ছাড়া অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নখ কাটা বা ওষুধ খাইয়ে দেওয়ার মতো বিশেষ সেবাও দিয়ে থাকেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উৎসবের মৌসুমে যখন মানুষ বাড়ির বাইরে থাকেন, তখন নির্ভরযোগ্য ও পেশাদার পেট কেয়ার সার্ভিসের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। হুয়ানের মতো তরুণরা সময়ের এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে যেমন সেবা দিচ্ছেন, তেমনি আর্থিকভাবেও বড় ধরনের সাফল্য পাচ্ছেন।