নিজস্ব প্রতিবেদক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার জরুরি অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জায় মিউং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অর্থ ও অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে এক বিবৃতিতে বেশ কিছু নির্দেশনা তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে দীর্ঘমেয়াদে তেলের ঘাটতির সম্ভাবনা রয়েছে, যা ইতোমধ্যে দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।
এই সংকটের সময় প্রেসিডেন্ট লি বিদেশ সফরে ছিলেন। তিনি গতকাল দেশে ফিরে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
আজ বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে প্রায় ৬৯ বিলিয়ন ডলারের জরুরি বাজার স্থিতিশীলতা তহবিল কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই তহবিল শেয়ারবাজার ও কোরিয়ান উনের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হবে।
এছাড়া জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেল আমদানির উৎস দ্রুত বহুমুখীকরণের নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট লি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই সময়ে অঞ্চলের অনেক দেশ বিকল্প উৎস খুঁজছে, ফলে তা বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে।
পরিস্থিতির কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে পরিচালনাকারী কোরিয়ান শিপিং কোম্পানিগুলোর জন্য অবিলম্বে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।”
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার জরুরি অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জায় মিউং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অর্থ ও অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে এক বিবৃতিতে বেশ কিছু নির্দেশনা তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে দীর্ঘমেয়াদে তেলের ঘাটতির সম্ভাবনা রয়েছে, যা ইতোমধ্যে দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।
এই সংকটের সময় প্রেসিডেন্ট লি বিদেশ সফরে ছিলেন। তিনি গতকাল দেশে ফিরে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
আজ বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে প্রায় ৬৯ বিলিয়ন ডলারের জরুরি বাজার স্থিতিশীলতা তহবিল কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই তহবিল শেয়ারবাজার ও কোরিয়ান উনের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হবে।
এছাড়া জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেল আমদানির উৎস দ্রুত বহুমুখীকরণের নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট লি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই সময়ে অঞ্চলের অনেক দেশ বিকল্প উৎস খুঁজছে, ফলে তা বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে।
পরিস্থিতির কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে পরিচালনাকারী কোরিয়ান শিপিং কোম্পানিগুলোর জন্য অবিলম্বে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।”