নিজস্ব প্রতিবেদক
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির জেরে গত পাঁচ দিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ১৭৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ইরান, ইরাক ও কুয়েতসহ এই অঞ্চলের সাতটি দেশ তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় ঢাকা থেকে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা বিঘ্নিত হচ্ছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ মার্চ) এক দিনেই বিভিন্ন গন্তব্যের ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আকাশপথ বন্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করে বাংলাদেশের ওপর।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
আজকের বাতিল হওয়া ২৮টি ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজ ও জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি করে এবং এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি ফ্লাইট। এ ছাড়া এমিরেটসের ৫টি, ইউএস-বাংলার ৪টি এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৩টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এক ঘোষণায় জানিয়েছে, আগামীকাল ৫ মার্চ পর্যন্ত দুবাই, আবুধাবি, শারজা, দাম্মাম, দোহা এবং কুয়েতগামী তাদের সব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো-ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা পুনরায় উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত পরিস্থিতির স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো প্রবাসী শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রী।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির জেরে গত পাঁচ দিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ১৭৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ইরান, ইরাক ও কুয়েতসহ এই অঞ্চলের সাতটি দেশ তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় ঢাকা থেকে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা বিঘ্নিত হচ্ছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ মার্চ) এক দিনেই বিভিন্ন গন্তব্যের ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আকাশপথ বন্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করে বাংলাদেশের ওপর।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
আজকের বাতিল হওয়া ২৮টি ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজ ও জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি করে এবং এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি ফ্লাইট। এ ছাড়া এমিরেটসের ৫টি, ইউএস-বাংলার ৪টি এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৩টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এক ঘোষণায় জানিয়েছে, আগামীকাল ৫ মার্চ পর্যন্ত দুবাই, আবুধাবি, শারজা, দাম্মাম, দোহা এবং কুয়েতগামী তাদের সব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো-ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা পুনরায় উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত পরিস্থিতির স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো প্রবাসী শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রী।