নিজস্ব প্রতিবেদক
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রম অবিলম্বে নিষিদ্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্ত ‘চূড়ান্ত’ এবং এ আদেশ থেকে ‘ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই’। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আউন বলেন, মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হিজবুল্লাহকে তাদের অস্ত্র রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধ ও শান্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র কর্তৃত্ব সরকারের হাতেই ন্যস্ত থাকবে।
এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আউন সোমবারের সিদ্ধান্তকে এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন, যা “যুদ্ধ ও শান্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু লেবানন রাষ্ট্রের হাতে সংরক্ষণ করবে, অন্য কারও নয়”।
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী যুদ্ধের জবাবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ করার পর সীমান্তপারে নতুন করে হামলা শুরু হলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক বছরের বেশি সময় পর এই প্রথম হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালায়। যদিও ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, তবুও ইসরায়েল লেবাননে শত শত হামলা চালিয়েছে।
হিজবুল্লাহর রকেট হামলার জবাবে ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় লেবাননজুড়ে অন্তত ৫২ জন নিহত হয়েছেন।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রম অবিলম্বে নিষিদ্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্ত ‘চূড়ান্ত’ এবং এ আদেশ থেকে ‘ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই’। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আউন বলেন, মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হিজবুল্লাহকে তাদের অস্ত্র রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধ ও শান্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র কর্তৃত্ব সরকারের হাতেই ন্যস্ত থাকবে।
এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আউন সোমবারের সিদ্ধান্তকে এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন, যা “যুদ্ধ ও শান্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু লেবানন রাষ্ট্রের হাতে সংরক্ষণ করবে, অন্য কারও নয়”।
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী যুদ্ধের জবাবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ করার পর সীমান্তপারে নতুন করে হামলা শুরু হলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক বছরের বেশি সময় পর এই প্রথম হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালায়। যদিও ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, তবুও ইসরায়েল লেবাননে শত শত হামলা চালিয়েছে।
হিজবুল্লাহর রকেট হামলার জবাবে ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় লেবাননজুড়ে অন্তত ৫২ জন নিহত হয়েছেন।