নিজস্ব প্রতিবেদক
ময়মনসিংহ নগরীর একটি ছাত্রাবাসে দীর্ঘ সময় এক শিক্ষার্থীর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ওই শিক্ষার্থীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার শেষে জানা যায়, কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং ওই শিক্ষার্থী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বাঘমারা এলাকার একটি ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে ওই শিক্ষার্থী একাই থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে দীর্ঘ সময় ধরে সহপাঠী ও মেসের অন্যরা তাকে ডাকাডাকি করলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। দরজায় ধাক্কাধাক্কি এবং মোবাইলে বারবার কল দিলেও কোনো প্রতিউত্তর না আসায় সহপাঠীদের মনে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার ভয়ে তারা দ্রুত বিষয়টি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। তারা ঘরের দরজা ভেতর থেকে শক্তভাবে বন্ধ দেখতে পান। কোনো বিকল্প না দেখে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা বিশেষ সরঞ্জামের মাধ্যমে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ওই শিক্ষার্থী বিছানায় অঘোরে ঘুমাচ্ছেন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উপস্থিতিতে তার ঘুম ভাঙলে তিনি হকচকিত হয়ে পড়েন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে অক্ষত ও সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেছে। দীর্ঘক্ষণ গভীর ঘুমে থাকায় তিনি বাইরের শব্দ বা ফোনের রিংটোন শুনতে পাননি বলে জানিয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় তারা সবসময় তৎপর। শিক্ষার্থী সুস্থ থাকায় সবাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। পরে ওই শিক্ষার্থীকে তার সহপাঠীদের জিম্মায় রাখা হয় এবং ভবিষ্যতে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহ নগরীর একটি ছাত্রাবাসে দীর্ঘ সময় এক শিক্ষার্থীর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ওই শিক্ষার্থীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার শেষে জানা যায়, কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং ওই শিক্ষার্থী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বাঘমারা এলাকার একটি ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে ওই শিক্ষার্থী একাই থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে দীর্ঘ সময় ধরে সহপাঠী ও মেসের অন্যরা তাকে ডাকাডাকি করলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। দরজায় ধাক্কাধাক্কি এবং মোবাইলে বারবার কল দিলেও কোনো প্রতিউত্তর না আসায় সহপাঠীদের মনে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার ভয়ে তারা দ্রুত বিষয়টি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। তারা ঘরের দরজা ভেতর থেকে শক্তভাবে বন্ধ দেখতে পান। কোনো বিকল্প না দেখে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা বিশেষ সরঞ্জামের মাধ্যমে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ওই শিক্ষার্থী বিছানায় অঘোরে ঘুমাচ্ছেন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উপস্থিতিতে তার ঘুম ভাঙলে তিনি হকচকিত হয়ে পড়েন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে অক্ষত ও সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেছে। দীর্ঘক্ষণ গভীর ঘুমে থাকায় তিনি বাইরের শব্দ বা ফোনের রিংটোন শুনতে পাননি বলে জানিয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় তারা সবসময় তৎপর। শিক্ষার্থী সুস্থ থাকায় সবাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। পরে ওই শিক্ষার্থীকে তার সহপাঠীদের জিম্মায় রাখা হয় এবং ভবিষ্যতে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।