নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ ভাষণ দেয়ায় অভিনব ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল’-এ ভূষিত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইসরায়েলের বিরোধী নেতাদের মতে এই পুরস্কারটিকে অস্বচ্ছ ও যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই তৈরি করা হয়েছে। তারা নেতানিয়াহুর অধীনে নেসেটের কার্যক্রম ক্রমান্বয়ে অকার্যকর হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে‘নেসেট’-এ ভাষণ দেয়ায় এই পদকটি তার হাতে তুলে দেন। ভারত ও ইসরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুসংহত করতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। বিশ্বের প্রথম কোনো নেতা হিসেবে নরেন্দ্র মোদি এই অভিনব সম্মাননা লাভ করলেন।
নেসেটের স্পিকার আমির ওহানার উদ্বোধনী ভাষণের সময় ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কখনও এই ধরণের পুরস্কারের কথা শোনেনি। আর মোদির গলায় সোনার প্রলেপ দেওয়া ব্রোঞ্জ পদকটি পরানোর আগে পর্যন্ত কেউ কখনও এটি দেখেনি।
ইসরায়েলি বিরোধী দলের সদস্যদের মতে, স্পিকার ওহানা এ অভিনব পুরস্কারটি ‘উদ্ভাবন’ করেছিলেন। মোদির সফরের আগে, এটির কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
বিরোধী দলের সদস্যরা বলেন, এই পুরস্কার বিধিমালায় নেই এবং এর জন্য কোনও কমিটি বা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনও নেই। তাছাড়া, এই পুরস্কারটি কেবল প্রথমবারের মতোই দেওয়া হচ্ছিল তা না বরং ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ সম্মান হিসেবেও এর কোনও অস্তিত্ব ছিল না।
কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই বলা হচ্ছে ইসরায়েল রাষ্ট্র ও ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য অনন্য অবদান রাখায় নরেন্দ্র মোদিকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।
ভাষণ দেওয়ার পূর্বে পার্লামেন্ট নেসেটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানিয়ে 'মোদি, মোদি' ধ্বনিতে পুরো কক্ষ মুখরিত হয়ে ওঠে। এই অভ্যর্থনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু উপস্থিত ছিলেন।
নেসেটে দেওয়া এক ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, এই মুহূর্তে এবং ভবিষ্যতেও ইসরায়েলের পাশে থাকবে ভারত।
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ ভাষণ দেয়ায় অভিনব ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল’-এ ভূষিত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইসরায়েলের বিরোধী নেতাদের মতে এই পুরস্কারটিকে অস্বচ্ছ ও যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই তৈরি করা হয়েছে। তারা নেতানিয়াহুর অধীনে নেসেটের কার্যক্রম ক্রমান্বয়ে অকার্যকর হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে‘নেসেট’-এ ভাষণ দেয়ায় এই পদকটি তার হাতে তুলে দেন। ভারত ও ইসরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুসংহত করতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। বিশ্বের প্রথম কোনো নেতা হিসেবে নরেন্দ্র মোদি এই অভিনব সম্মাননা লাভ করলেন।
নেসেটের স্পিকার আমির ওহানার উদ্বোধনী ভাষণের সময় ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কখনও এই ধরণের পুরস্কারের কথা শোনেনি। আর মোদির গলায় সোনার প্রলেপ দেওয়া ব্রোঞ্জ পদকটি পরানোর আগে পর্যন্ত কেউ কখনও এটি দেখেনি।
ইসরায়েলি বিরোধী দলের সদস্যদের মতে, স্পিকার ওহানা এ অভিনব পুরস্কারটি ‘উদ্ভাবন’ করেছিলেন। মোদির সফরের আগে, এটির কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
বিরোধী দলের সদস্যরা বলেন, এই পুরস্কার বিধিমালায় নেই এবং এর জন্য কোনও কমিটি বা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনও নেই। তাছাড়া, এই পুরস্কারটি কেবল প্রথমবারের মতোই দেওয়া হচ্ছিল তা না বরং ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ সম্মান হিসেবেও এর কোনও অস্তিত্ব ছিল না।
কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই বলা হচ্ছে ইসরায়েল রাষ্ট্র ও ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য অনন্য অবদান রাখায় নরেন্দ্র মোদিকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।
ভাষণ দেওয়ার পূর্বে পার্লামেন্ট নেসেটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানিয়ে 'মোদি, মোদি' ধ্বনিতে পুরো কক্ষ মুখরিত হয়ে ওঠে। এই অভ্যর্থনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু উপস্থিত ছিলেন।
নেসেটে দেওয়া এক ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, এই মুহূর্তে এবং ভবিষ্যতেও ইসরায়েলের পাশে থাকবে ভারত।