নিজস্ব প্রতিবেদক
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের বার্ষিক স্মরণোৎসব শুরু হয়েছে। সোমবার আলোচনাসভা ও বাউলদের সেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনের সূচনা হয়। তবে এবার আগের বছরের মতো বড় পরিসরে গান, মেলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নেই।
সাধারণত লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে বাউল গানের আসর ও গ্রামীণ মেলার মাধ্যমে উৎসবটি পালিত হয়। এবার সীমিত পরিসরে শুধু আলোচনা ও সেবা কার্যক্রম চলছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় লালনের মানবতাবাদী দর্শন ও গানের অন্তর্নিহিত বাণী নিয়ে আলোচনা হয়।
আয়োজকরা জানান, সন্ধ্যায় বাউল ভক্তদের রাখালসেবা, রাতে অধিবাসসেবা এবং পরদিন বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমে সেবা কার্যক্রম শেষ হবে। এবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না থাকায় লোকসমাগমও তুলনামূলক কম।
১৮৯০ সালে লালন সাঁইয়ের মৃত্যুর পর থেকে ভক্তরা দোলপূর্ণিমার সময় এই স্মরণোৎসব পালন করে আসছেন। এবারও ভাব বিনিময় ও সেবা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের বার্ষিক স্মরণোৎসব শুরু হয়েছে। সোমবার আলোচনাসভা ও বাউলদের সেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনের সূচনা হয়। তবে এবার আগের বছরের মতো বড় পরিসরে গান, মেলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নেই।
সাধারণত লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে বাউল গানের আসর ও গ্রামীণ মেলার মাধ্যমে উৎসবটি পালিত হয়। এবার সীমিত পরিসরে শুধু আলোচনা ও সেবা কার্যক্রম চলছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় লালনের মানবতাবাদী দর্শন ও গানের অন্তর্নিহিত বাণী নিয়ে আলোচনা হয়।
আয়োজকরা জানান, সন্ধ্যায় বাউল ভক্তদের রাখালসেবা, রাতে অধিবাসসেবা এবং পরদিন বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমে সেবা কার্যক্রম শেষ হবে। এবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না থাকায় লোকসমাগমও তুলনামূলক কম।
১৮৯০ সালে লালন সাঁইয়ের মৃত্যুর পর থেকে ভক্তরা দোলপূর্ণিমার সময় এই স্মরণোৎসব পালন করে আসছেন। এবারও ভাব বিনিময় ও সেবা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।