নিজস্ব প্রতিবেদক
গত ১ মার্চ ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এক যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন। এটি কেবল একটি সামরিক হামলা নয়; বরং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব-পরবর্তী ৪৬ বছরের রাজনৈতিক কাঠামোর ওপর সরাসরি আঘাত। এ আঘাতের পর ইরানের ভবিষ্যত কী? ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু ইরানিদের জন্য ‘নিজেদের দেশ ফিরে পাওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ’।
হোয়াট ইরানিয়ানস ওয়ান্ট (ইরানের মানুষ যা চায়)’ গ্রন্থের লেখক আরাশ আজিজি সতর্ক করে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ইরানের ভেতরে চরম বিশৃঙ্খলা, এমনকি গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার মতো বড় বিপদ রয়েছে। এমনটি হলে সেটি হবে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন।’
তাহলে ইরানকে এই বিপদের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে কেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ?
পেছনে তাকালে দেখা যায়, ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক আক্রমণের পর সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন তিকরিতের একটি গোপন আস্তানা থেকে আটক হন। তিন বছর বিচার শেষে ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। সাদ্দামের পতন ইরাকে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং আইএসের উত্থান ঘটে।
২০১১ সালে লিবিয়ায় ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের সময় দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি সির্ত শহর থেকে পালানোর সময় হামলার মুখে পড়েন। মার্কিন ড্রোন ও ফরাসি যুদ্ধবিমানের সহায়তায় তার গাড়িবহর থামিয়ে দেয়া হয়। পরে বিদ্রোহীদের হাতে ধরা পড়ে তিনি নিহত হন।
গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়া কার্যত ভেঙে পড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলোর দখলযুদ্ধে, যা আজও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি।
শুধু তাই নয়, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরানের প্রভাবশালী জেনারেল কাসেম সোলেইমানি বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন। এর নির্দেশদাতা ছিলেন ট্রাম্প।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বৈরুতে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ মাটির গভীরে বৈঠকের সময় ইসরাইলি বিমান বাহিনীর হামলায় নিহত হন।
হোয়াট ইরানিয়ানস ওয়ান্ট (ইরানের মানুষ যা চায়)’ গ্রন্থের লেখক আরাশ আজিজি ওই বইতে ইঙ্গিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে যতোটুকু ভালোবাসে ঠিক ততোটাই মুসলিম বিশ্বকে অপছন্দ করে। ইরান মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব হয়ে উঠছে এটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শংকার কারণ।
গত ১ মার্চ ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এক যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন। এটি কেবল একটি সামরিক হামলা নয়; বরং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব-পরবর্তী ৪৬ বছরের রাজনৈতিক কাঠামোর ওপর সরাসরি আঘাত। এ আঘাতের পর ইরানের ভবিষ্যত কী? ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু ইরানিদের জন্য ‘নিজেদের দেশ ফিরে পাওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ’।
হোয়াট ইরানিয়ানস ওয়ান্ট (ইরানের মানুষ যা চায়)’ গ্রন্থের লেখক আরাশ আজিজি সতর্ক করে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ইরানের ভেতরে চরম বিশৃঙ্খলা, এমনকি গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার মতো বড় বিপদ রয়েছে। এমনটি হলে সেটি হবে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন।’
তাহলে ইরানকে এই বিপদের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে কেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ?
পেছনে তাকালে দেখা যায়, ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক আক্রমণের পর সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন তিকরিতের একটি গোপন আস্তানা থেকে আটক হন। তিন বছর বিচার শেষে ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। সাদ্দামের পতন ইরাকে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং আইএসের উত্থান ঘটে।
২০১১ সালে লিবিয়ায় ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের সময় দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি সির্ত শহর থেকে পালানোর সময় হামলার মুখে পড়েন। মার্কিন ড্রোন ও ফরাসি যুদ্ধবিমানের সহায়তায় তার গাড়িবহর থামিয়ে দেয়া হয়। পরে বিদ্রোহীদের হাতে ধরা পড়ে তিনি নিহত হন।
গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়া কার্যত ভেঙে পড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলোর দখলযুদ্ধে, যা আজও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি।
শুধু তাই নয়, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরানের প্রভাবশালী জেনারেল কাসেম সোলেইমানি বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন। এর নির্দেশদাতা ছিলেন ট্রাম্প।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বৈরুতে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ মাটির গভীরে বৈঠকের সময় ইসরাইলি বিমান বাহিনীর হামলায় নিহত হন।
হোয়াট ইরানিয়ানস ওয়ান্ট (ইরানের মানুষ যা চায়)’ গ্রন্থের লেখক আরাশ আজিজি ওই বইতে ইঙ্গিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে যতোটুকু ভালোবাসে ঠিক ততোটাই মুসলিম বিশ্বকে অপছন্দ করে। ইরান মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব হয়ে উঠছে এটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শংকার কারণ।