নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। রোববার (১৫ মার্চ) ফিনানসিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়শঙ্কর এ কথা বলেন।
এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার প্রস্তাব দেন যে, চীন, জাপানসহ অন্যান্য দেশকে ওই প্রণালিতে নৌবাহিনীর ইউনিট মোতায়েন করে ইরানের সম্ভাব্য হামলা থেকে জাহাজ চলাচল রক্ষা করা উচিত।
জয়শঙ্কর বলেন, নয়া দিল্লী ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার ফলে দুটি ভারতীয় পতাকাবাহী গ্যাসবাহী ট্যাংকার ওই প্রণালি পার হতে পেরেছেল। এটি কূটনৈতিক সমাধানের একটি উদাহরণ।
তিনি বলেন, “আমি বর্তমানে তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি এবং আমার এই আলোচনা কিছু ফলও দিয়েছে। এটি এখনো চলমান। যদি এতে ফল পাওয়া যায়, তাহলে আমি স্বাভাবিকভাবেই এটিকে চালিয়ে যাবো।”
জয়শঙ্কর আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলোর জন্য কোনো সর্বজনীন ব্যবস্থা নেই এবং প্রতিটি জাহাজ চলাচল আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়।
তার ভাষায়, “ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে অবশ্যই আলোচনার মাধ্যমে সমন্বয় করে সমাধান পাওয়া উত্তম। যদি এতে অন্যরাও আলোচনায় যুক্ত হতে পারে, তাহলে বিশ্বের জন্য সেটাই ভালো।”
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকীর্ণ পথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়। গত সপ্তাহে নয়া দিল্লীতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কারণে ভারতীয় জাহাজগুলো এই পথ ব্যবহার করতে পারবে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বৃহস্পতিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। একই সঙ্গে জয়শঙ্করও তার ইরানি সমকক্ষ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে চারবার কথা বলেছেন, যখন ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। রোববার (১৫ মার্চ) ফিনানসিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়শঙ্কর এ কথা বলেন।
এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার প্রস্তাব দেন যে, চীন, জাপানসহ অন্যান্য দেশকে ওই প্রণালিতে নৌবাহিনীর ইউনিট মোতায়েন করে ইরানের সম্ভাব্য হামলা থেকে জাহাজ চলাচল রক্ষা করা উচিত।
জয়শঙ্কর বলেন, নয়া দিল্লী ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার ফলে দুটি ভারতীয় পতাকাবাহী গ্যাসবাহী ট্যাংকার ওই প্রণালি পার হতে পেরেছেল। এটি কূটনৈতিক সমাধানের একটি উদাহরণ।
তিনি বলেন, “আমি বর্তমানে তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি এবং আমার এই আলোচনা কিছু ফলও দিয়েছে। এটি এখনো চলমান। যদি এতে ফল পাওয়া যায়, তাহলে আমি স্বাভাবিকভাবেই এটিকে চালিয়ে যাবো।”
জয়শঙ্কর আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলোর জন্য কোনো সর্বজনীন ব্যবস্থা নেই এবং প্রতিটি জাহাজ চলাচল আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়।
তার ভাষায়, “ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে অবশ্যই আলোচনার মাধ্যমে সমন্বয় করে সমাধান পাওয়া উত্তম। যদি এতে অন্যরাও আলোচনায় যুক্ত হতে পারে, তাহলে বিশ্বের জন্য সেটাই ভালো।”
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকীর্ণ পথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়। গত সপ্তাহে নয়া দিল্লীতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কারণে ভারতীয় জাহাজগুলো এই পথ ব্যবহার করতে পারবে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বৃহস্পতিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। একই সঙ্গে জয়শঙ্করও তার ইরানি সমকক্ষ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে চারবার কথা বলেছেন, যখন ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।