নিজস্ব প্রতিবেদক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সৌদি আরব জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করা হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজধানী রিয়াদ মহানগর এলাকায় আকাশে উড়তে থাকা চারটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব বারবার ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এসব হামলায় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো, মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি এবং জনবসতিপূর্ণ এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এখন পর্যন্ত এসব হামলায় অন্তত দু’জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে আরব আমিরাতের আল ধাফরা এয়ার বেজে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান।
ইরানের সামরিক বাহিনীর এলিট ইউনিট ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও অজ্ঞাতসংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সৌদি আরব জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করা হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজধানী রিয়াদ মহানগর এলাকায় আকাশে উড়তে থাকা চারটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব বারবার ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এসব হামলায় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো, মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি এবং জনবসতিপূর্ণ এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এখন পর্যন্ত এসব হামলায় অন্তত দু’জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে আরব আমিরাতের আল ধাফরা এয়ার বেজে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান।
ইরানের সামরিক বাহিনীর এলিট ইউনিট ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও অজ্ঞাতসংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।