নিজস্ব প্রতিবেদক
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এসব অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে সংসদে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে সংসদের সম্মতিতে সেগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
এর আগে, বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কোনো অধ্যাদেশ জারি করলে পরবর্তী অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকেই তা সংসদে উপস্থাপন করতে হয়। সেই বিধান অনুসারে গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করেছিলেন আইনমন্ত্রী।
সাধারণত কোনো বিল যাচাই-বাছাই করে সংসদে প্রতিবেদন দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তবে এখন পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়নি।
এ কারণে অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনার জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকেই একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দেবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এসব অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে সংসদে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে সংসদের সম্মতিতে সেগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
এর আগে, বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কোনো অধ্যাদেশ জারি করলে পরবর্তী অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকেই তা সংসদে উপস্থাপন করতে হয়। সেই বিধান অনুসারে গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করেছিলেন আইনমন্ত্রী।
সাধারণত কোনো বিল যাচাই-বাছাই করে সংসদে প্রতিবেদন দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তবে এখন পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়নি।
এ কারণে অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনার জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকেই একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দেবে।