নিজস্ব প্রতিবেদক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে অঞ্চলের তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে রোববার এ তথ্য জানা গেছে।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকের এরবিলে অবস্থিত আল-হারির বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের একটি ‘সমাবেশ কেন্দ্র’ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েতের আলি আল সালেম ও আরিফজান ঘাঁটিতেও শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস–৪’-এর ৫২তম ধাপের অংশ। ইরানের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানায় আইআরজিসি।
এদিকে একই বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হুমকিও দিয়েছে আইআরজিসি। তারা বলেছে, তিনি যদি “এখনও জীবিত থাকেন, তবে তাকে খুঁজে বের করে সর্বশক্তি দিয়ে হত্যা করা হবে।”
তবে এর আগে নেতানিয়াহুর কার্যালয় তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলুকে জানায়, ইরানের পাল্টা হামলায় নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবি ‘ভুয়া খবর’। প্রধানমন্ত্রী সুস্থ ও নিরাপদ আছেন বলেও জানানো হয়।
এদিকে ইসরাইলে ইরানের সর্বশেষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় শহর হলোনে দুজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলি চ্যানেল ১২।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। ওই হামলায় ইরানে অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও ছিলেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। এতে হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বিমান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে অঞ্চলের তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে রোববার এ তথ্য জানা গেছে।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকের এরবিলে অবস্থিত আল-হারির বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের একটি ‘সমাবেশ কেন্দ্র’ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েতের আলি আল সালেম ও আরিফজান ঘাঁটিতেও শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস–৪’-এর ৫২তম ধাপের অংশ। ইরানের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানায় আইআরজিসি।
এদিকে একই বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হুমকিও দিয়েছে আইআরজিসি। তারা বলেছে, তিনি যদি “এখনও জীবিত থাকেন, তবে তাকে খুঁজে বের করে সর্বশক্তি দিয়ে হত্যা করা হবে।”
তবে এর আগে নেতানিয়াহুর কার্যালয় তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলুকে জানায়, ইরানের পাল্টা হামলায় নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবি ‘ভুয়া খবর’। প্রধানমন্ত্রী সুস্থ ও নিরাপদ আছেন বলেও জানানো হয়।
এদিকে ইসরাইলে ইরানের সর্বশেষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় শহর হলোনে দুজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলি চ্যানেল ১২।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। ওই হামলায় ইরানে অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও ছিলেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। এতে হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বিমান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে।