নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত এবং পাম্পগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে আগামী সোমবার থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে জেলা পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক সমিতি। আগামীকাল রোববারের মধ্যে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে জেলার ৫০টি পাম্প ও ১০টি এজেন্সিতে এই অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই হুঁশিয়ারি দেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাজশাহী জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনিসুর রহমান শিমুল।
মালিক সমিতির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বর্তমানে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের পাশাপাশি পাম্পগুলোতে নিরাপত্তার অভাব দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
নেতারা জানান, বাঘাবাড়ী ডিপো থেকে বর্তমানে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। কাগজে-কলমে ৭৫ শতাংশ তেল সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে মিলছে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতি নিয়ে পাম্প পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামীকাল রবিবার পর্যন্ত মজুদ থাকা তেল সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে বিতরণ করা হবে। তবে একই দিনে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন ব্যবসায়ীরা। রবিবারের মধ্যে দাবি আদায় না হলে সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন বন্ধ রাখা হবে।
এ সময় জেলার বিভিন্ন পাম্প মালিক ও জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত এবং পাম্পগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে আগামী সোমবার থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে জেলা পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক সমিতি। আগামীকাল রোববারের মধ্যে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে জেলার ৫০টি পাম্প ও ১০টি এজেন্সিতে এই অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই হুঁশিয়ারি দেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাজশাহী জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনিসুর রহমান শিমুল।
মালিক সমিতির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বর্তমানে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের পাশাপাশি পাম্পগুলোতে নিরাপত্তার অভাব দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
নেতারা জানান, বাঘাবাড়ী ডিপো থেকে বর্তমানে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। কাগজে-কলমে ৭৫ শতাংশ তেল সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে মিলছে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতি নিয়ে পাম্প পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামীকাল রবিবার পর্যন্ত মজুদ থাকা তেল সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে বিতরণ করা হবে। তবে একই দিনে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন ব্যবসায়ীরা। রবিবারের মধ্যে দাবি আদায় না হলে সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন বন্ধ রাখা হবে।
এ সময় জেলার বিভিন্ন পাম্প মালিক ও জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।