নিজস্ব প্রতিবেদক
ঠাকুরগাঁওয়ে গত তিনদিনের হঠাৎ হওয়া বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। বিশেষ করে আলু উত্তোলনের একেবারে শেষ সময়ে এমন বৃষ্টিতে পানির নিচে ডুবে গেছে আলুর খেত ও মাঠে তুলে রাখা আলু।
এতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এছাড়াও ভুট্টা ও গম খেত বাতাসের কারণে মাটিতে নুয়ে পড়েছে। শুক্রবার ঠাকুরগাঁও সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় এমনি চিত্র চোখে পড়ে।
সারেজমিনে দেখা যায়, কোথাও জমির ওপর বৃষ্টির পানি জমে আছে, আবার কোথাও ওপরের জমি থেকে নিচের জমিতে পানি নেমে এসে ফসল তলিয়ে দিচ্ছে। অনেক জায়গায় আলু তুলে মাঠে শুকানোর জন্য রেখে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আকস্মিক বৃষ্টির কারণে সেসব আলু পানিতে ডুবে গেছে। এতে আলু পচে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে।
স্থানীয় এক আলু চাষি জানান, এই বৃষ্টিটা হওয়াতে ধানের উপকার হয়েছে। কিন্তু আলুর খুব ক্ষতি হয়েছে। এই পানিটা হওয়াতে আলুটা এখন পচন হবে।
আরেক চাষি বলেন, প্রচুর পরিমাণ ঝড়বৃষ্টি। তারপরে দেখি এখন কি করা যায়। চিন্তায় মাথা ঘুরছে। ভুট্টা লাগিয়েছিলাম বেশির ভাগ ভূট্টা বাতাসের কারণে পড়ে গেছে। ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গেল।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মাজেদুল ইসলাম বলেন, এ অবস্থার পর থেকেই কৃষকদের বেশকিছু পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে গত তিনদিনের হঠাৎ হওয়া বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। বিশেষ করে আলু উত্তোলনের একেবারে শেষ সময়ে এমন বৃষ্টিতে পানির নিচে ডুবে গেছে আলুর খেত ও মাঠে তুলে রাখা আলু।
এতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এছাড়াও ভুট্টা ও গম খেত বাতাসের কারণে মাটিতে নুয়ে পড়েছে। শুক্রবার ঠাকুরগাঁও সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় এমনি চিত্র চোখে পড়ে।
সারেজমিনে দেখা যায়, কোথাও জমির ওপর বৃষ্টির পানি জমে আছে, আবার কোথাও ওপরের জমি থেকে নিচের জমিতে পানি নেমে এসে ফসল তলিয়ে দিচ্ছে। অনেক জায়গায় আলু তুলে মাঠে শুকানোর জন্য রেখে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আকস্মিক বৃষ্টির কারণে সেসব আলু পানিতে ডুবে গেছে। এতে আলু পচে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে।
স্থানীয় এক আলু চাষি জানান, এই বৃষ্টিটা হওয়াতে ধানের উপকার হয়েছে। কিন্তু আলুর খুব ক্ষতি হয়েছে। এই পানিটা হওয়াতে আলুটা এখন পচন হবে।
আরেক চাষি বলেন, প্রচুর পরিমাণ ঝড়বৃষ্টি। তারপরে দেখি এখন কি করা যায়। চিন্তায় মাথা ঘুরছে। ভুট্টা লাগিয়েছিলাম বেশির ভাগ ভূট্টা বাতাসের কারণে পড়ে গেছে। ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গেল।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মাজেদুল ইসলাম বলেন, এ অবস্থার পর থেকেই কৃষকদের বেশকিছু পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন।