নিজস্ব প্রতিবেদক
নেত্রকোনার বারহাট্টায় ধর্ষণের ঘটনায় জরায়ু হারিয়েছে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (৭)। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) উপজেলার বাউশী ইউনিয়নের শাসনউড়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে নূরজামালকে আসামি করে থানায় থানায় মামলা করা হয়েছে।
বারহাট্টা থানার ওসি মো. নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ঘটনাটি জানাজানির পর থেকে অভিযুক্ত নূরজামাল আত্মগোপনে চলে গেছেন।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, নূরজামাল সম্পর্কে শিশুটির চাচা। তিনি জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে কৌশলে শিশুটিকে ডেকে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে তার ওপর চালায় পাশবিক নির্যাতন চালান। ঘটনার ভয়াবহতা ও হুমকির কারণে প্রথম দিকে বিষয়টি কাউকে জানায়নি ওই শিশু।
শিশুর বাবা বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি। কিছুদিন পর মেয়ের পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আমরা তাকে স্থানীয় ডাক্তার দেখাই। ওষুধ খেলে সে কিছুদিন সুস্থ থাকে, কিন্তু এরপর আবারও অসুস্থ হয়ে পড়ে। কয়েক দিন আগে পেটের ব্যথা চরম আকার ধারণ করে। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে আল্ট্রাসনোগ্রাম করানোর পরামর্শ দেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই আকাশ ভেঙে পড়ে পরিবারটির মাথায়। ডাক্তাররা জানান, শিশুটির সঙ্গে মারাত্মক খারাপ কিছু ঘটেছে। পরে মেয়েকে আশ্বস্ত করে জিজ্ঞেস করলে সে পরিবারকে নূরজামালের নির্যাতন ও হুমকির কথা জানান। শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলে চিকিৎসকরা তার দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন। এক পর্যায়ে শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে জীবন বাঁচানোর তাগিদে চিকিৎসকরা শিশুটির জরায়ুতে অস্ত্রোপচার করেন। আমার বাচ্চাটা আর কোনো দিন মা হতে পারবে না।’
চিকিৎসকরা জানান, পাশবিক নির্যাতনের কারণে শিশুটির ডিম্বাণু ও জরায়ুতে মারাত্মক ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়েছিল। শিশুটিকে বাঁচাতে বাধ্য হয়ে তার জরায়ু কেটে ফেলতে হয়েছে।
এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় একটি মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে অভিযোগ জানিয়ে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, ‘এলাকা থেকে অনেকেই আমাকে ফোন করে চাপ দিচ্ছে যেন আমি মামলা না করি। তারা টাকা-পয়সা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলতে বলছে। কিন্তু আমি আমার মেয়ের এই সর্বনাশের বিচার চাই।’
বারহাট্টা থানার ওসি মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে একটা মামলা করেছেন। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
নেত্রকোনার বারহাট্টায় ধর্ষণের ঘটনায় জরায়ু হারিয়েছে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (৭)। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) উপজেলার বাউশী ইউনিয়নের শাসনউড়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে নূরজামালকে আসামি করে থানায় থানায় মামলা করা হয়েছে।
বারহাট্টা থানার ওসি মো. নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ঘটনাটি জানাজানির পর থেকে অভিযুক্ত নূরজামাল আত্মগোপনে চলে গেছেন।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, নূরজামাল সম্পর্কে শিশুটির চাচা। তিনি জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে কৌশলে শিশুটিকে ডেকে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে তার ওপর চালায় পাশবিক নির্যাতন চালান। ঘটনার ভয়াবহতা ও হুমকির কারণে প্রথম দিকে বিষয়টি কাউকে জানায়নি ওই শিশু।
শিশুর বাবা বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি। কিছুদিন পর মেয়ের পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আমরা তাকে স্থানীয় ডাক্তার দেখাই। ওষুধ খেলে সে কিছুদিন সুস্থ থাকে, কিন্তু এরপর আবারও অসুস্থ হয়ে পড়ে। কয়েক দিন আগে পেটের ব্যথা চরম আকার ধারণ করে। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে আল্ট্রাসনোগ্রাম করানোর পরামর্শ দেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই আকাশ ভেঙে পড়ে পরিবারটির মাথায়। ডাক্তাররা জানান, শিশুটির সঙ্গে মারাত্মক খারাপ কিছু ঘটেছে। পরে মেয়েকে আশ্বস্ত করে জিজ্ঞেস করলে সে পরিবারকে নূরজামালের নির্যাতন ও হুমকির কথা জানান। শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলে চিকিৎসকরা তার দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন। এক পর্যায়ে শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে জীবন বাঁচানোর তাগিদে চিকিৎসকরা শিশুটির জরায়ুতে অস্ত্রোপচার করেন। আমার বাচ্চাটা আর কোনো দিন মা হতে পারবে না।’
চিকিৎসকরা জানান, পাশবিক নির্যাতনের কারণে শিশুটির ডিম্বাণু ও জরায়ুতে মারাত্মক ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়েছিল। শিশুটিকে বাঁচাতে বাধ্য হয়ে তার জরায়ু কেটে ফেলতে হয়েছে।
এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় একটি মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে অভিযোগ জানিয়ে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, ‘এলাকা থেকে অনেকেই আমাকে ফোন করে চাপ দিচ্ছে যেন আমি মামলা না করি। তারা টাকা-পয়সা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলতে বলছে। কিন্তু আমি আমার মেয়ের এই সর্বনাশের বিচার চাই।’
বারহাট্টা থানার ওসি মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে একটা মামলা করেছেন। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’