নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বজুড়ে এ যাবৎকালের অন্যতম ভয়াবহ এবং কঠোরতম একটি সরকারি পদক্ষেপের রেকর্ড গড়েছে ইরান। রেকর্ডটি হলো—ইরানে চলমান ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা।
বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘নেটব্লকস’ তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমানে ইরানে যে মাত্রার ইন্টারনেট বিভ্রাট চলছে, তা বিশ্বজুড়ে রেকর্ড করা যেকোনো সরকারি ইন্টারনেট শাটডাউনের মধ্যে অন্যতম তীব্র।
২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের নাগরিকদের বছরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সময় অফলাইনে বা ইন্টারনেট সংযোগবিহীন অবস্থায় কাটাতে হয়েছে। নেটব্লকসের তথ্যানুসারে, এটি ইরানের ইতিহাসে দ্বিতীয় দীর্ঘতম ইন্টারনেট শাটডাউন। এর আগে কেবল জানুয়ারি মাসের বিক্ষোভের সময় দেশটিতে এর চেয়ে দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান সরকার দেশজুড়ে তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং বিক্ষোভ দমনে পরিকল্পিতভাবে এই ব্ল্যাকআউট কার্যকর করেছে। নেটব্লকস তাদের পর্যালোচনায় উল্লেখ করেছে যে এই শাটডাউন কেবল সাধারণ যোগাযোগকেই ব্যাহত করছে না, বরং দেশটির অর্থনীতি এবং ডিজিটাল অধিকারের ওপর এক মারাত্মক আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট স্বাধীনতার পরিমাপে ইরানের এই অবস্থান এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিশ্বজুড়ে এ যাবৎকালের অন্যতম ভয়াবহ এবং কঠোরতম একটি সরকারি পদক্ষেপের রেকর্ড গড়েছে ইরান। রেকর্ডটি হলো—ইরানে চলমান ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা।
বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘নেটব্লকস’ তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমানে ইরানে যে মাত্রার ইন্টারনেট বিভ্রাট চলছে, তা বিশ্বজুড়ে রেকর্ড করা যেকোনো সরকারি ইন্টারনেট শাটডাউনের মধ্যে অন্যতম তীব্র।
২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের নাগরিকদের বছরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সময় অফলাইনে বা ইন্টারনেট সংযোগবিহীন অবস্থায় কাটাতে হয়েছে। নেটব্লকসের তথ্যানুসারে, এটি ইরানের ইতিহাসে দ্বিতীয় দীর্ঘতম ইন্টারনেট শাটডাউন। এর আগে কেবল জানুয়ারি মাসের বিক্ষোভের সময় দেশটিতে এর চেয়ে দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান সরকার দেশজুড়ে তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং বিক্ষোভ দমনে পরিকল্পিতভাবে এই ব্ল্যাকআউট কার্যকর করেছে। নেটব্লকস তাদের পর্যালোচনায় উল্লেখ করেছে যে এই শাটডাউন কেবল সাধারণ যোগাযোগকেই ব্যাহত করছে না, বরং দেশটির অর্থনীতি এবং ডিজিটাল অধিকারের ওপর এক মারাত্মক আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট স্বাধীনতার পরিমাপে ইরানের এই অবস্থান এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।