নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুর মহানগরীর বাসন এলাকায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে ভিটিপাড়া এলাকার ম্যানল ফ্যাশন গার্মেন্টসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ঝুটবোঝাই ট্রাক লুট, অগ্নিসংযোগ ও কয়েক লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ম্যানল ফ্যাশন গার্মেন্টসের ঝুট ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ‘খান ট্রেডিং’-এর স্বত্বাধিকারী কৌশিক খানের সঙ্গে একটি চুক্তি ছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী আজ সকালে ঝুট সংগ্রহ করতে গেলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলার শিকার হন তারা।
অভিযোগ উঠেছে, বাসন থানা বিএনপি নেতা সিরাজুল হক, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম এবং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি নাজমুলের নেতৃত্বে দুই থেকে আড়াইশ জনের একটি সশস্ত্র দল এই হামলা চালায়।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, হামলাকারীরা রামদাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। হামলাকারীরা একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ও ঝুটবোঝাই ট্রাক ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।
গাজীপুর মহানগরীর বাসন এলাকায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে ভিটিপাড়া এলাকার ম্যানল ফ্যাশন গার্মেন্টসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ঝুটবোঝাই ট্রাক লুট, অগ্নিসংযোগ ও কয়েক লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ম্যানল ফ্যাশন গার্মেন্টসের ঝুট ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ‘খান ট্রেডিং’-এর স্বত্বাধিকারী কৌশিক খানের সঙ্গে একটি চুক্তি ছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী আজ সকালে ঝুট সংগ্রহ করতে গেলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলার শিকার হন তারা।
অভিযোগ উঠেছে, বাসন থানা বিএনপি নেতা সিরাজুল হক, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম এবং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি নাজমুলের নেতৃত্বে দুই থেকে আড়াইশ জনের একটি সশস্ত্র দল এই হামলা চালায়।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, হামলাকারীরা রামদাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। হামলাকারীরা একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ও ঝুটবোঝাই ট্রাক ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।