নিজস্ব প্রতিবেদক
এক ফোঁটা তেলও হরমুজ প্রণালি থেকে বের হতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটি বলেছ—এই রুট পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করলে জাহাজে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চরম অস্থিরতার মধ্যে এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তেলের দাম ২০০ ডলারর পৌঁছানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তারা।
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ‘‘অবৈধ’ অভিযানের ফলেই গত শনিবারই আংশিক বন্ধ করে দেওয়া হয় হরমুজ প্রণালি। এরপরই কার্যত অচল হয়ে পড়ে বিশ্ব-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই রুট। এরপর এলো পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা।
আইআরজিসির কড়া হুঁশিয়ারি—হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করলেই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে জাহাজে।
অপরদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে চীন। এ ছাড়া তারা নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই প্রণালির মধ্য দিয়ে যায়, পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্যও এ পথে পরিবাহিত হয়।
নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘চীন সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে, উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি এড়াতে, হরমুজ প্রণালির নৌপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আরো বড় প্রভাব পড়া প্রতিরোধ করতে আহ্বান জানাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ... চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
চীন ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা, যার বেশির ভাগই এই প্রণালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়।
এক ফোঁটা তেলও হরমুজ প্রণালি থেকে বের হতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটি বলেছ—এই রুট পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করলে জাহাজে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চরম অস্থিরতার মধ্যে এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তেলের দাম ২০০ ডলারর পৌঁছানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তারা।
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ‘‘অবৈধ’ অভিযানের ফলেই গত শনিবারই আংশিক বন্ধ করে দেওয়া হয় হরমুজ প্রণালি। এরপরই কার্যত অচল হয়ে পড়ে বিশ্ব-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই রুট। এরপর এলো পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা।
আইআরজিসির কড়া হুঁশিয়ারি—হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করলেই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে জাহাজে।
অপরদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে চীন। এ ছাড়া তারা নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই প্রণালির মধ্য দিয়ে যায়, পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্যও এ পথে পরিবাহিত হয়।
নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘চীন সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে, উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি এড়াতে, হরমুজ প্রণালির নৌপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আরো বড় প্রভাব পড়া প্রতিরোধ করতে আহ্বান জানাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ... চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
চীন ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা, যার বেশির ভাগই এই প্রণালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়।