নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে অন্যতম ইরানের পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। ইতোমধ্যে তারা ইস্পাহানে অবস্থিত নাতাঞ্জ পারমানবিক কেন্দ্রে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়ে কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দাবি করে।
অথচ আজ মঙ্গলবার আল জাজিরায় প্রকাশিত এক পতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সর্বশেষ স্যাটেলাইট চিত্রের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) নিশ্চিত করেছে যে ইরানের ভূগর্ভস্থ নাতাঞ্জ পারমানবিক স্থাপনাল ফুয়েল এনরিচমেন্ট প্ল্যান্ট (এফইপি)-এর প্রবেশদ্বার সংলগ্ন ভবনগুলোর ‘সাম্প্রতিক কিছু ক্ষয়ক্ষতি’ দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘কোনো তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব প্রত্যাশিত নয় এবং এফইপি-এর ভেতরে অতিরিক্ত কোনো ক্ষতির প্রমাণ মেলেনি।’ তারা আরও উল্লেখ করেছে যে, গত বছর ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা ১২ দিনের যুদ্ধে এই স্থাপনাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রও নাতাঞ্জসহ আরও দুটি স্থাপনায় হামলা চালায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে অন্যতম ইরানের পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। ইতোমধ্যে তারা ইস্পাহানে অবস্থিত নাতাঞ্জ পারমানবিক কেন্দ্রে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়ে কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দাবি করে।
অথচ আজ মঙ্গলবার আল জাজিরায় প্রকাশিত এক পতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সর্বশেষ স্যাটেলাইট চিত্রের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) নিশ্চিত করেছে যে ইরানের ভূগর্ভস্থ নাতাঞ্জ পারমানবিক স্থাপনাল ফুয়েল এনরিচমেন্ট প্ল্যান্ট (এফইপি)-এর প্রবেশদ্বার সংলগ্ন ভবনগুলোর ‘সাম্প্রতিক কিছু ক্ষয়ক্ষতি’ দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘কোনো তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব প্রত্যাশিত নয় এবং এফইপি-এর ভেতরে অতিরিক্ত কোনো ক্ষতির প্রমাণ মেলেনি।’ তারা আরও উল্লেখ করেছে যে, গত বছর ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা ১২ দিনের যুদ্ধে এই স্থাপনাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রও নাতাঞ্জসহ আরও দুটি স্থাপনায় হামলা চালায়।