নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সকালে বাহরাইনের শেখ ইসা এলাকায় থাকা ওই ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আঘাত হানা হয়।
আইআরজিসির দাবি, হামলায় ২০টি ড্রোন এবং তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ ইসা এয়ার বেস–এর প্রধান কমান্ড ও সদর দপ্তর ভবন ধ্বংস হয়েছে এবং জ্বালানি ট্যাঙ্কে আগুন লেগেছে।
এ ঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্র–এর সামরিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে হামলার পর বাহরাইন কর্তৃপক্ষ বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও মার্কিন স্বার্থের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
এর আগে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সকালে বাহরাইনের শেখ ইসা এলাকায় থাকা ওই ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আঘাত হানা হয়।
আইআরজিসির দাবি, হামলায় ২০টি ড্রোন এবং তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ ইসা এয়ার বেস–এর প্রধান কমান্ড ও সদর দপ্তর ভবন ধ্বংস হয়েছে এবং জ্বালানি ট্যাঙ্কে আগুন লেগেছে।
এ ঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্র–এর সামরিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে হামলার পর বাহরাইন কর্তৃপক্ষ বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও মার্কিন স্বার্থের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
এর আগে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।