নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে রোববার থেকে সুন্দরবন-এর নদ-নদীতে কাঁকড়া আহরণ কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ায় ভোর থেকেই জেলেরা নৌকা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে বনে প্রবেশ করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে নিবন্ধিত নৌকার সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৯০০টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৬০০টি নৌকা কাঁকড়া ধরার কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি নৌকায় গড়ে তিনজন জেলে থাকায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন।
কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম বিবেচনায় গত ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুন্দরবনের নদ-নদীতে কাঁকড়া ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বন বিভাগ। নির্ধারিত সময় শেষে আজ থেকে আবারও আহরণ শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস প্রজনন মৌসুম হওয়ায় এ সময় কাঁকড়া আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছিল। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আজ থেকে পুনরায় কাঁকড়া সংগ্রহ কার্যক্রম চালু হয়েছে।
দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে রোববার থেকে সুন্দরবন-এর নদ-নদীতে কাঁকড়া আহরণ কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ায় ভোর থেকেই জেলেরা নৌকা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে বনে প্রবেশ করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে নিবন্ধিত নৌকার সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৯০০টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৬০০টি নৌকা কাঁকড়া ধরার কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি নৌকায় গড়ে তিনজন জেলে থাকায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন।
কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম বিবেচনায় গত ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুন্দরবনের নদ-নদীতে কাঁকড়া ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বন বিভাগ। নির্ধারিত সময় শেষে আজ থেকে আবারও আহরণ শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস প্রজনন মৌসুম হওয়ায় এ সময় কাঁকড়া আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছিল। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আজ থেকে পুনরায় কাঁকড়া সংগ্রহ কার্যক্রম চালু হয়েছে।