নিজস্ব প্রতিবেদক
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে স্থানীয় জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মিদের মধ্যে সংঘর্ষে এক জামায়াত সমর্থন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের আরো পাঁচজন।
নিহত জামায়াত সমর্থনের নাম হাফিজুর রহমান (৪৫)। শনিবার দিনগত রাত ২টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত হাফিজুর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে শনিবার সন্ধ্যায় জীবননগর উপজেলার হাসাদহ মডেল কামিল মাদরাসা সামনে জামায়াত-বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে হাফিজুর রহমানসহ উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হন। এদের মধ্যে হাফিজুরের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে যশোর পরে ঢাকায় নেয়া হয়। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হাফিজুর।
এ ঘটনায় আহত হন, খায়রুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও তার পিতা জসিম উদ্দীনসহ আরো দুজন।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় হাসাদহ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে স্থানীয় জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মিদের মধ্যে সংঘর্ষে এক জামায়াত সমর্থন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের আরো পাঁচজন।
নিহত জামায়াত সমর্থনের নাম হাফিজুর রহমান (৪৫)। শনিবার দিনগত রাত ২টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত হাফিজুর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে শনিবার সন্ধ্যায় জীবননগর উপজেলার হাসাদহ মডেল কামিল মাদরাসা সামনে জামায়াত-বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে হাফিজুর রহমানসহ উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হন। এদের মধ্যে হাফিজুরের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে যশোর পরে ঢাকায় নেয়া হয়। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হাফিজুর।
এ ঘটনায় আহত হন, খায়রুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও তার পিতা জসিম উদ্দীনসহ আরো দুজন।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় হাসাদহ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।